বিডি প্রতিবেদক রামু :
রামুতে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের উখিয়ারঘোনা লামার পাড়া ও লট উখিয়ারঘোনা এলাকা হতে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রামু থানার ওসি আনোয়ারুল হোসাইন।
নিহত হাবিব উল্লাহ ওরফে ফজর আলী (২৫) ইউনিয়নের উখিয়ারঘোনা লামারপাড়ার নুরুল ইসলামের দ্বিতীয় ছেলে। একটি মামলায় তিনি দীর্ঘ দু'মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় আসার দুই সপ্তার মাথায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। অপর নিহত আব্দুল করিম (৩২) একই ইউনিয়নের লট উখিয়ারঘোনা এলাকার হাফেজ আহমদের ছেলে।
রামু থানার ওসি আনোয়ারুল জানান, কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আধারমানিকের সামনে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান পথচারীরা। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কাজে বের হওয়া লোকজন মরদেহ দেখে রামু থানা পুলিশকে জানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহতের শরীরে জখম ও ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে ধারালো অস্ত্র দ্বারা উপর্যুপরি আঘাত করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাস্তার ধারে রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান কাজে বের হওয়া লোকজন।লাশের মুখে এতো পরিমাণ আঘাত ছিল যে, ক্ষতবিক্ষত মুখে পরিচয় নিশ্চিত করতে কষ্ট হচ্ছিলো। নিথর দেহের মাথার চারপাশেই বইছিলো রক্তের স্রোত। ধারণা করা হচ্ছে গভীর রাতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
হাবিবের ভাই আবদুল্লাহ বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
অপরদিকে, একইদিন সকাল ১০টার দিকে একই ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের লট উখিয়ারঘোনা এলাকার পারিবারিক কলহের জের ধরে আব্দুল করিম (৩২) আত্নহত্যা করেন বলে জানা গেছে। তাকে উদ্ধার করে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
রামু থানার ওসি আরো জানান জানান, মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। সিনিয়র অফিসাররা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হত্যার ক্লো উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।