
বিডি প্রতিবেদক চকরিয়া :
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালীর বাসিন্দা ওমান প্রবাসী বাবুল রুদ্র দেশে না থেকেও মাদক মামলার আসামি হওয়ায় দেশে আসতে পারছেন না।
প্রবাসী বাবুল রুদ্র বিদেশ থাকায় তাকে নির্দোষ দাবি করে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার যোগসাজশে হওয়া মামলা থেকে নিস্তার পাওয়ার দাবিতে
সোমবার বিকেলে চকরিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রবাসীর পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য প্রবাসী বাবুল রুদ্রের স্ত্রী দেবী রুদ্র বলেন,
আমার স্বামী বাবুল রুদ্র বিগত ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর জীবিকা নির্বাহের তাগিদে সুদুর ওমান দেশে গমন করে অদ্যবদি প্রবাসে অবস্থান করছেন।
আমার স্বামী বিদেশ যাওয়ার প্রায় এক/দেড় বছর পরে আমরা জানতে পারি ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী থানায় দুইজন মদককারবী ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়। এঘটনায় বালিয়াডাঙ্গী থানায় ২০২০ সালের ২৬ আগস্ট মিজান ও তরিকুল নামের
দুই জনের নামে মাদক মামলা রুজু হয়। ওই মামলার এজাহারে ইয়াবা গুলো চট্টগ্রামের বাবুল থেকে ক্রয় করার কথা বললে, পরবর্তীতে কক্সবাজারের চকরিয়া থানা পুলিশের এএসআই মোহাম্মদ আমির হোসেন (বিপি নং- ৮৬০৫১০২১১০)কে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার দায়িত্ব দেয় বলে জানতে পারি।
আমার স্বামী বাবুল রুদ্র ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী থানায় মামলা দায়েরের একবছর পূর্বে অর্থাৎ ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর থেকে ওমানে প্রবাস জীবনে রয়েছেন।
অথচ চকরিয়া থানার এএসআই আমির হোসেন কোনধরনের তদন্ত ছাড়াই প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী বাবুলকে সনাক্ত না করে, আমার প্রবাসী স্বামীর বিরুদ্ধে মনগড়া মিথ্যা প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন বালিয়াডাঙ্গী থানায়। এমনকি ওইসময় তদন্তের জন্য পুলিশের ওই দারোগা আমার বাড়িতেও আসেননি এবং এব্যাপারে জানতে আমাদের পরিবারের কারো সঙ্গে কথাও বলেনি।
দেবী রুদ্র আরও বলেন, আমার ধারণা ওইসময় তদন্ত করতে গিয়ে চকরিয়া থানার তৎকালীন এএসআই আমির হোসেন প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী বাবুলের সাথে হাত মিলিয়ে তার কাছ থেকে অবৈধসুবিধা নিয়ে এই জগণ্য কাজটি তিনি করেছেন।
এইধরনের বানোয়াট মিথ্যা প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া হয়রানি মূলক মামলা থেকে আমার স্বামী বাবুল রুদ্র(৩৫) পিতা মৃত নেপাল রুদ্রকে নিস্তার দিতে বিজ্ঞ আদালতের কাছে সুবিচার প্রার্থনা করছি। পাশাপাশি ভিত্তিহীন ও মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিলকারী অভিযুক্ত এএসআই আমির হোসেন এর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মহোদয় এর কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি খাইরুল এনাম বলেন, বিষয়টি আমি ইতোমধ্যে অবগত হয়েছি, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ##