বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজারের চকরিয়ায় অস্ত্রধারী অপরাধীকে আটকের চেষ্টাকালে দূর্বৃত্তদের হামলায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে; এসময় দূর্বৃত্তরা এক পুলিশ সদস্যের কাছে অস্ত্রও ছিনিয়ে নিয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৪ নারী-পুরুষকে আটক করেছে পুলিশ। আটক কৃতদের সিংহ ভাগই ঘটনার সাথে জড়িত নয় বলে দাবী পরিবারের।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মোহছনিয়াকাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, চকরিয়া থানার এসআই শামীম আল হাসান, কনস্টেবল তারিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল মোহাম্মদ মামুন।
তবে আটকদের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি।
আহতদের বরাতে মাহফুজুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার মধ্যরাতে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মোহছনিয়াকাটা এলাকায় পুলিশের একটি দল টহল দিচ্ছিল। এসময় সড়কের পাশে ধারালো দা ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে দেখতে পেয়ে পুলিশ সদস্যরা আটকের চেষ্টা চালায়। এতে লোকটি ধাওয়া খেয়ে স্থানীয় গ্রামের ভিতর ঢুকে পড়ে।
" পরে পুলিশ সদস্যরা ওই অস্ত্রধারী লোককে আটকের জন্য গ্রামটির ভিতরে অভিযানে নামে। এসময় ৪০ থেকে ৫০ জন লোক সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায়। লুট করা হয় এক পুলিশ সদস্যের অস্ত্র। এতে দূর্বৃত্তদের হামলায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। "
পুলিশ সুপার বলেন, " খবর পেয়ে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়। এতে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৪ নারী-পুরুষকে আটক করেছে। পরে আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। "
রাতেই কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলামের নেতৃুত্বে অভিযান চালিয়ে পুলিশের লুন্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান মোহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম।
তবে চকরিয়া থানার সামনে আটক কয়েকজনের অভিবাবকরা জানান,গ্রেফতার কৃতদের অধিকাংশই হামলার সাথে জড়িত নয়। তারা বলেন,আসল অপরাধীরা যেন পার পেয়ে না যায়। সে সাথে যারা ঘটনার সাথে জড়িত নয় তাদের প্রতি যেন সুবিচার করা হয়।