চকরিয়া প্রতিনিধিঃ
চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে পূর্ব-শক্রতা হাছিলের উদ্দেশ্য দু'দফা হামলা চালিয়ে স্বামী ও স্ত্রীকে হত্যার চেষ্টাতে হামলা চালায় স্বার্থন্বেষী দূবৃর্ত্তরা।এতে হাসপাতালের বেডে মৃত্যের শয্যায় স্ত্রী মিনো।
গত ২৯ ও ৩০ মে খুটাখালীর ৪নং ওয়ার্ডের মধ্যম বাক্কুমপাড়ায় এঘটনা ঘটেছে
আহতরা হলেন-ওই মৃত কালা মিয়ার ছেলে নুরুল আবচার ও আবচারের স্ত্রী মিনোয়ারা বেগম।
ঘটনার বিষয়ে জখমী মিনোয়ারা বেগমের ছোটভাই মোঃ রাসেল জানান,গত ২৯ মে দিনের বেলায় আমার বোন মিনোয়ারাকে বসতভিটা ছেড়ে চলে যাওয়ার কথাকাটিতে মারধর করেছেন।পরের দিন গত ৩০ মে আমার ভাগিনা ফারুক বসতবাড়ীর উঠানে বসে র্টাচ মোবাইল দেখছিল।এমতাবস্থায় শাহাব উদ্দিনের ছেলে সাগর উদ্দিন এসে মোবাইলটি কেড়ে নেন।পরে ফারুক মোবাইল খোঁজলে তাকে মারধর করে।ভাগিনা ফারুক মার খেয়ে কান্নাকাটি করলে,তার মা অর্থ্যাৎ আমার অসুস্থ বোন মিনোয়ারা বেগম বাড়ীতে থেকে বের হয়ে ছেলে মোবাইল খোঁজলে,সাথে-সাথে শাহাব উদ্দিনের স্ত্রী ছলেমা খাতুন,মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে সালাহ উদ্দিন সোনা মিয়ার স্ত্রী রাজিয়া আকতার,মৃত কালা মিয়ার ছেলে সোনা মিয়া,সোনা মিয়ার ছেলে পারভেজরা একত্রে হয়ে এসে লাথি,কিল,ঘুষি,লোহার রড়,কুড়াল ও দা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্য বেদড়ক মারধর করেছেন।মারধরের এক পর্যায়ে আমার বোন অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুঠিয়ে পড়লে,তার গলার ব্যবহারের স্বর্ণ ও বাড়ীর ভিতরে ব্যাগে থাকা গাছ বিক্রির নগদ টাকা ছিনিয়ে নেন তারা।এরপর স্হানীয়রা আমাকে খবর দিলে আমরা গিয়ে অজ্ঞান অবস্হায় বোন মিনোয়ারা ও দুলাভাই আবচারকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে।চিকিৎসা করতে গিয়ে দেখি বোন মিনোয়ারার হাতের হাঁড় ভেঙ্গেছে,মাথায় প্রচন্ড আঘাত হয়েছে।মাথায় সেলাই করার পরো চিকিৎস বলছেন বোন মিনোয়ারা রক্ত বমি এখনো বন্ধ হচ্ছেনা।বিধায় অবস্হা এখনো শংকটাপন্ন।ঘটনার বিষয়ে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
এবিষয়ে চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার রাজিব চন্দ্র সরকার বলেন,এক পুলিশ সদস্য ঘটনার সম্পর্কে আমাকে জানালো,ভিকটিমের পক্ষ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ বা এজাহার দায়ের করেনি।লিখিত কপি পেলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্হা নেওয়া হবে।