বিডি প্রতিবেদক চকরিয়া :
কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের, ফসিয়াখালী রেঞ্জাধীন, ডুলাহাজারা বনবিটের বনভূমি ও বনজ সম্পদ ধ্বংসের মূলহোতা ফোরকান বাহিনীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহরাজ উদ্দিনের সুপারিশপত্র প্রেরণ । যার স্মারক নং- ২২.০১.২২১৬.৭৮৩.১৫.০০১.২৩.৯৯৮ এর সূত্র ১০০০/ডুলা ১৫।
বনখেকো মোঃ ফোরকান, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের রিংভং ছগিরশাহকাটা এলাকার গোলাম কাদেরের ছেলে। তার বাহিনীর মধ্যে সক্রিয় তার ছোটভাই মোঃ সুলতান, মোঃ জসিম ও মোঃ করিম সহ আরো কয়েকজন বনখেকো রয়েছে।
নাম প্রকাশে অইচ্ছুক হেডম্যানসহ কথেক ভিলেজার ও লোকজন জানান, ফোরকান বনজ সম্পদ ও বনভূমি জবর দখল করে লেবার থেকে আজ কোটিপতি হয়ে শেখ মোঃ ফোরকানে পরিচিত। দলের প্রভাব বিস্তার করে সে মালুমঘাট স্টেশনস্থ উত্তর পাশে অফিস নামের ডুপ্লেক্স দুটি ভবন নির্মান এর আরেকটু উত্তর পাশে প্রায় ৩ একর মত ভূমি জবর দখল করে বাড়ি নির্মানসহ বনভূমি জবর দখল করে বেচা-বিক্রি এবং বনের গাছপালা বিক্রির অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে । সম্প্রতি ৪-৫মাস যাবৎ কর্মরত রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহরাজ উদ্দিনের কঠিন দায়িত্ব পালনের জন্য তারা বনজ সম্পদ লুটপাটের সুযোগ না পেয়ে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মনগড়া দুর্নাম ছড়াচ্ছে বনখেকোরা। আমরা হেডম্যান, ভিলেজার, এলাকাবাসীগণ এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, সেই সাথে বনখেকোদের বিরুদ্ধে কঠিনভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আন্তরিক দৃষ্টি কামনা করছি বলে জানিয়েছে।
এ বিষয়ে ফাসিয়াখালীর রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহরাজ উদ্দিন জানান, বনজ সম্পদ ধ্বংসের মূলহোতা ফোরকান বাহিনীরা ডুলাহাজারা বন বিটের স্টাফগন জবর দখল উচ্ছেদে গেলে স্টাফদের উপর হামলা করে । এর পূর্বেও বনকর্মীদের উপর হামলার রেকর্ড রয়েছে। তাছাড়া বনভূমি জবরদখল, গাছকাটা, অবৈধ কাঠ ব্যবসা, বন কর্মীদের হামলা করাসহ সরাসরি জড়িত রয়েছেন। ফোরকান ও তার বাহিনী ডুলাহাজারা বনবিটের বনজ সম্পদের মূলহোতা । বিধায় বন ও বনজ সম্পদ রক্ষায় ফোরকানগণ এবং বন অপরাধীরা বন বিভাগের আওতাধীন কোন প্রকার নিলামে অংশগ্রহণ করতে না পারে তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছে জোর সুপারিশ পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। কেননা ফোরকানের বিরুদ্ধে পিওআর মামলা রয়েছে ১৫টি। তার ছোট ভাই সুলতানের বিরুদ্ধে রয়েছে ৩টি, জসিমের বিরুদ্ধে রয়েছে ৮টি ও করিমের বিরুদ্ধে রয়েছে ৮টি। এখন আমি ও আমার কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা তাদেরকে বন সম্পদ ধ্বংসের প্রতিনিয়ত বাধা প্রধান করায়, কোন প্রকার সুযোগ না পেয়ে এখন আমাদের বিরুদ্ধে অহেতুক দুর্নাম ছড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে বনখেকো ফোরকান গংরা।