প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ৭:১২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ১৭, ২০২৩, ১২:১৩ পি.এম
কক্সবাজারে ভিড় বাড়ছে পর্যটকদের
রহমান তারেক :
টানা দুদিনের ছুটিতে কক্সবাজারে ভিড় বাড়ছে পর্যটকদের। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে সমুদ্রশহরে পর্যটকরা আসতে শুরু করে।
এদিকে শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) সপ্তাহিক ছুটির দিনে সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লক্ষাধিক পর্যটক সমুদ্রসৈকতে ঘুরাঘুরি, সমুদ্রস্নানসহ ব্যস্ত সময় পার করছেন।
ঢাকার দোহা থেকে স্বপরিবারে আসা আয়ুব আলী খন্দকার বলেন, ‘বেশ কয়েকদিন সময় নিয়ে পরিবারের ৮জন নিয়ে কক্সবাজারে ঘুরতে এলাম। আগামীকাল সেন্টমার্টিন যাবো। শীতকালে কক্সবাজার বেড়াতে ভালো লাগে।’
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ার চর থেকে আসা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রাফিয়াত সুবর্ণা বলেন, ‘অনেক দিন থেকে পরিকল্পনা ছিল ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসটা কক্সবাজারে উদযাপন করবো। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে চলে এলাম। এখন সৈকতে পরিবারের সঙ্গে সময়টা বেশ ভালো কাটছে।’
দুয়েকদিনের মধ্যে পর্যটক আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন পর্যনটন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, যেভাবে সমুদ্রশহরে পর্যটক আসতে শুরু করেছে; এতে করে বিগত বেশ কয়েক মাসের লোকসান কাটিয়ে আলোর মুখ দেখা সম্ভব হবে।
কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজ বলেন, ‘গত ২৮ অক্টোবর থেকে আমরা লোকসানের মধ্যে আছি। সময়টা খুবই মন্দা গেছে। কোনো পর্যটকই ছিল না। আজ শুক্রবার থেকে হঠাৎ পর্যটক বেড়ে গেল। ১৬ ডিসেম্বরকে সামনে নিয়ে আরো বেশি পর্যটক আসতেছে কক্সবাজারে। পর্যটক আসাতে কিছুটা হলেও লোকসান কাটানোর সুযোগ হয়েছে আমাদের। প্রতিটি হোটেল মোটেল গেস্টহাউসকে বলা আছে অতিরিক্ত ভাড়া যেন আদায় করা না হয়। ইতোমধ্যে কোনো হোটেল অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে এমন অভিযোগ পাইনি। এরই মধ্যে ডিসকাউন্ট চলছে। এক, দেড় কিংবা দুই হাজার টাকার মধ্যে মানসম্মত রুম পাওয়া যাচ্ছে। পর্যটকদের সর্বোচ্চ সেবা দানে আমরা আন্তরিক। সমুদ্রশহরে পর্যটকরা আসুক, নিরাপদে ঘুরে যাক এটাই কামনা করি।’
ওই সংগঠনের সভাপতি আবুল কাসেম সিকদার বলেন, ‘প্রায় ৯০% হোটেল কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। বুকিং দেয়া পর্যটকরা কক্সবাজারে আসতে শুরু করেছে। অনেকে এসে পড়েছেন। দেড় থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যেও হোটেল কক্ষ পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি আজ এবং আগামীকালের মধ্যে হোটেল-মোটেল শতভাগ বুকিং হয়ে যাবে।’
###
Email : bdworld24net@gmail.com