টেকনাফ প্রতিনিধি :
টেকনাফ উনছিপ্রাং বাজারে কথা-কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে ১২ঘন্টা পর মারা গেলেন মোক্তার (৫৬) নামের এক সবজি বিক্রেতা রহস্যজনক মৃত্যু।
একই এলাকার মৌলভী রুস্তমের ছেলে আজিজুর রহমান প্রকাশ বাদশার সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে পরে মুক্তার আজিজুর রহমান বাদশাকে পায়ে কামড় দিলে তার লুঙ্গি সিরি পায়ে দুইজনেই মাটিতে লুটে যায়,মুক্তারের মামাতো ভাই কলিমুল্লাহ প্রকাশ কালু এসে মুক্তার কে চর থাপ্পড় দিয়ে বিষয়টি সমাধা করে দেয়।
আজ রোববার (১৭মার্চ) ভোর ৫টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। নিহত সবজি বিক্রতা উপজেলা হোয়াইক্ষ্যং ইউনিয়নের উনছিপ্রাং এলাকার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী সবজি বিক্রেতা আলী আহমেদ জানান, গতকাল শনিবার দুপুরের পরে তারা দুইজন হাতাহাতি দেয়। হাতাহাতির একপর্যায়ে দুইজনে মাটিতে পড়ে যায়,পরে বাজারের মানুষ এসে ঘটনা সমাধান করে দেয়।
ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, হাতাহাতির পর নিহত মোক্তার আমাকে শরীরে খারাপ লাগছে বলে জানিয়েছেন, আমি ডাক্তার দেখাইতে বলেছিলাম, সকালে তার মৃত্যুর খবর পেলাম৷
প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ আইয়ুব বলেন, নিহত মোক্তার মৃগী রোগী। মোক্তার ও অভিযুক্ত বাদশার কথা-কাটাকাটি এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। নিহত মোক্তারের মামাতো ভাই কলিম উল্লাহ তাকে চড়থাপ্পড় মেরে সমাধান করে দেন। পরে বাদশা চলে যায়, সকালে তার মৃত্যুর খবর পেয়েছি৷
নিহতের মেয়ে জানায়, আমার বাবা উনছিপ্রাং বাজারে সবজি বিক্রি করেন। কিছুদিন আগে উনছিপ্রাং এর বাসিন্দা বাদশা প্রকাশ পেটু বাদশা আমার বাবা থেকে সবজি কিনে নিয়ে যায়। গতকাল সবজির বকেয়া টাকা চাইতে গেলে বাদশা উত্তেজিত হয়ে টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে বাদশা আমার বাবাকে এলোপাতাড়ি চড়থাপ্পড় ও ঘুষি মারেন। পরে স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তার বাড়িতে পৌঁছে দেন।এরপর বাবা শারীরিকভাবে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন।আজ রবিবার ভোরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এই বিষয়ে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ মো: শাহাদাত সিরাজী বলেন, ঘটনাস্থলে আমরা পরিদর্শন করেছি, নিহতের লাশ সুরতহালের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে,পরবর্তী অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে