শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

খুটাখালীতে আ’লীগ নেতা সাইফুল দাপুট দেখিয়ে খাস জমির মাটি বিক্রি করে পুকুর বানালো জায়গা

নিউজ রুম / ১৫১ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

চকরিয়া প্রতিনিধিঃ

চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ছড়িবিল এলাকায় আ’লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম এর দাপুট দেখিয়ে ২৪১৯ নং খাস খতিয়ানের জায়গার মাটি কেটে রাতে আধারে বিক্রি করে পুকুর বানালো জায়গা।দেখার কেউ নেই! সাইফুল ওই এলাকার মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে। সরেজমিনে গেলে দেখা যায়-সাইফুল সহ তার আরো দুই মিলে সরকারি খাস ২৪১৯নং খতিয়ানের জমির মাটি কেটে বিক্রি করে চলছে।মাটি খননের ফলে সেগুনবাগিচা যাওয়ার সড়কটি যেকোন মূহুর্তে ভেঙ্গে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।এছাড়াও মাটি খনন করার ফলে পাশ্ববর্তী ঘরবাড়ী ধসে পড়ার আশঙ্কা বিদ্যামান।তাকে কেউ নিষেধ করার সাহস করেনি।কারণ সে নাকি সাবেক এমপি জাফর,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদী ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কছির এর আপন মানুষ।২০০৫ সাল থেকে তাদের ভয় দেখিয়ে এই খাস জমিকে বালু স্টকের স্হান বানিয়ে খুটাখালী ছড়ার পূর্বপাশে নরপাড়ি-গুদারপাড়ি বনভূমির বালি,মাটি ও বাগানের গাছগুলো সিন্ডিকেট করে লুটিয়ে পুড়িয়ে খেয়ে এখন কোম্পানি বনে গেছে।আ’লীগ ক্ষমতা হারালেও সেই মাটি আর বনখেকো সাইফুল হারায়নি ক্ষমতা।বর্তমানে তার বাড়ীর লাগোয়া পূর্ব পাশের ছড়া থেকে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে পাশাপাশি খাস জমির মাটি স্কেভেটর দিয়ে কেটে রাতের আধারে পাচার করেই চলছেন জানান স্হানীয়রা।তারা আরো জানান-সাইফুলের বসবাসরত বাড়ীটিও খাস জমির ওপর নির্মিত।এখনো তার দাপটে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম জানান-জায়গাটি আমার বাবার নামে বন্দোবস্তি করা।তাই প্রয়োজনে আমরা যা ইচ্ছে করবো।তবে বন্দবস্তির কোন ডকুমেন্ট দেখাতে পারেনি। খুটাখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্মকর্তা খালেদা বেগম বলেন-এক বিষয়ে তদন্তে আমি ছড়িবিল নামক জায়গায় গিয়েছি।তখন দেখলাম দুইপাশে মাটি খনন করে কিছু জায়গা পুকুর বানিয়েছে সাইফুল। তখন আমি তাকে মাটি খননের অনুমতিপত্র সহ জায়গার ডকুমেন্ট চাইলে,সে তার বাবার নামে জায়গাটি বন্দোবস্তি বলে চলে যায়। কোন ডকুমেন্ট দেখাতে পারেনি সাইফুল। তাই আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তার নামে ছবিসহ রিপোর্ট পাঠিয়েছি। এবিষয়ে চকরিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ এরফান উদ্দিন বলেন-কখন সে মাটি,বালি গাড়ী যোগে পাচার করে তা নিশ্চিত করতে।যেকোন সময় অভিযান পরিচালনার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে এসব কাজে এলাকার সচেতন মহলকে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানিয়েছেন তিনি। মাটি খননের কোন অনুমতি নেই।খাস জমি হলে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার জরিপের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর