শিরোনাম :
পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী

পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার

নিউজ রুম / ২ বার পড়ছে
আপলোড : সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজারে স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সৃজনশীলতা, ঐতিহ্য ও জীবিকাভিত্তিক বিভিন্ন উদ্যোগকে তুলে ধরতে আয়োজিত পণ্য মেলায় অংশগ্রহণ করেছে মুক্তি কক্‌সবাজার।

কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে  জীবিকা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এ পণ্য মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর তৈরি বিভিন্ন হস্তশিল্পজাত পণ্য, সৃজনশীল কর্মকাণ্ড ও জীবিকাভিত্তিক উদ্যোগ প্রদর্শন করা হয়।

সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তির সঙ্গে টেকসই জীবিকার সুযোগ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় এ আয়োজনের জন্য জীবিকা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতের সংশ্লিষ্টদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে মুক্তি কক্‌সবাজার। বিশেষ করে খাত সমন্বয়কারী জনাব আশিক কবিরকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

মেলা পরিদর্শনকালে মুক্তি কক্‌সবাজারের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক অজিত কুমার দাস বলেন, “মেলায় প্রদর্শিত হস্তশিল্পজাত পণ্যগুলো প্রতিকূল শরণার্থী সংকটের প্রেক্ষাপটেও জীবিকা খাতে স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে আমাদের প্রকল্পসমূহের কার্যকারিতা যথাযথভাবে তুলে ধরেছে।”

মুক্তি কক্‌সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে সরকার বলেন, “এই মেলা শুধু পণ্য প্রদর্শনের আয়োজন নয়, বরং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। সংস্কৃতি সংরক্ষণ, চর্চা ও উদ্‌যাপনের সুযোগ সৃষ্টি বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর সামাজিক সংযোগ, মর্যাদাবোধ, সহনশীলতা ও মানসিক সুস্থতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

তিনি আরও বলেন, “স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নারীদের কর্মদক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে সুন্দরভাবে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য জীবিকা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”

দুই দিনব্যাপী এ মেলার মাধ্যমে স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নারীদের দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও জীবিকাভিত্তিক উদ্যোগের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যও তুলে ধরা হয়।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর