শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

অপহরণসহ সকল অপরাধ বন্ধে পুলিশ-জনতার ঐক্য চান পুলিশ সুপার

নিউজ রুম / ১৮৪ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ কেন্দ্রিক অপহরণসহ সকল অপরাধ বন্ধে পুলিশ-জনতার ঐক্য চান কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম।
তিনি বলেছেন, জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ২ শত করে ৪ ইউনিয়ন থেকে ৮ শত মানুষ এক হয়ে এগিয়ে আসুন। এই ৮ শত স্থানীয় জনতাকে সাথে নিয়ে টেকনাফ-উখিয়ার পাহাড়ে-পাহাড়ে পরিচালিত হবে সাঁড়াশি অভিযান। অপহরণকারি দূর্বৃত্তদের শেকড় কেটে দেয়া হবে। কোনভাবেই আর একটি মানুষও অপহরণ দেখতে চায় না পুলিশ।
পুলিশ পাহাড়ের উঠা বা পাহাড়ি পথ সম্পর্কে জ্ঞাত নন মন্তব্য করে পুলিশ সুপার বলেন, আপনাদের পরিবারের সন্তান অপহরণ হচ্ছে। আপনারা চুপ থাকবেন না। এগিয়ে আসুন, পুলিশকে পথ চিনতে সহযোগিতা করুণ। পুলিশ আপনাদের পাশেই রয়েছে।
বুধবার দুপুরে টেকনাফের রঙ্গিখালী মাদ্রাসায় অপরাধ প্রতিরোধ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার এসব কথা বলেন।
টেকনাফের পাহাড় কেন্দ্রিক একের পর এক অপহরণের ঘটনার প্রেক্ষিতে টেকনাফ উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের উদ্যোগে টেকনাফ-উখিয়ার জনপ্রতিনিধি সহ স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে আয়োজন করা হয় এই সভা।
সভায় উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা তাদের বক্তব্যে এই জনপদ এক সময় শান্তি-শৃঙ্খলার জনপদ ছিল। ২০১৭ সালে বাস্তুচুত মিয়ানমারের নাগরিক আসার পর অশান্ত হয়ে উঠেছে এমন কথা পুলিশ আমলে নিয়েছে উল্লেখ করে পুলিশ সুপার সকলকে নিয়ে প্রতিরোধ করার আহবান জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, আপনাদের সকলের সহযোগিতায় আইন আইনের গতিতে চলবে। এখন আপনারা রোহিঙ্গাদের বাড়ি ভাড়া দেয়া বন্ধ করুণ। আপনারাই বলেছেন রোহিঙ্গারা অপরাধ করে বেড়াচ্ছে। অশান্তি সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতিতে এখন থেকে কোন ভাড়া বাসায় রোহিঙ্গা পাওয়া গেলে মামলা করা হবে। একই মামলায় আসামি করা হবে মালিককেও। আইনে অবৈধ লোকজনকে বাড়ি ভাড়া দেয়ার নিয়ম নেই। এখন থেকে উখিয়া টেকনাফের পুলিশ বিষয়টি কঠোরভাবে দেখবে। যাদের বাংলাদেশী জাতীয়তা পরিচয় পত্র নাই তাদের বাড়ি ভাড়া দেয়া অপরাধ। এটার জন্য পুলিশ কঠোর হবে। না হলে অপহরণ, চোরাচালান, মাদকের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না। এটা আমাদেরকে বন্ধ করতে হবে।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী, হ্নীলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গত, গত ২০২৩ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১১৮ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৬০ জন স্থানীয় বাসিন্দা, বাকিরা রোহিঙ্গা নাগরিক। অপহরণের পরিবারের তথ্য বলছে অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৫২ জন মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর