শিরোনাম :
পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী

চকরিয়ায় লাল পতাকা উপেক্ষা করে অবৈধ বালু উত্তোলনঃযানচলাচল ব্যাহত

নিউজ রুম / ১৫৪ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বমুবিলছড়ি ইউনিয়নস্হ বমুখাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন স্হানীয় প্রভাবশালী কয়েকজন লোকের এক সিন্ডিকেট।ফলে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অভিযোগ দেন।অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট গিয়ে বালু মহালে লাল উঁচিয়ে দিয়ে বালু না তোলার জন্য নিষেধ করে দেন। কিন্তু স্হানীয় প্রভাবশালী বালু সিন্ডিকেটেরা প্রশাসনের লাল পতাকা উঁচিয়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিনিয়ত চলছে বালু উত্তোলন ও সরবরাহ। বালু উত্তোলনের স্হানটি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পান্নিশারবিল বমুখাল। স্হানীয়রা জানান,স্হানীয় প্রশাসনের প্রভাব বিস্তার করে বালু উত্তোলনের নেতৃত্ব দেন আমিনুল হক মুক্তা সিন্ডিকেট।দিন-রাত বালু উত্তোলনের ফলে বালু বহনকারী চলাচলের কারণে ধূলা-বালি,যানজটে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।এছাড়াও দীর্ঘদিন পরে সংস্কার হওয়া সড়কটির বহাল দশা হয়ে পড়তে শুরু করেছে। স্হানীয় বাসিন্দা ভুক্তভোগী মোঃআব্দুল্লাহ জানান,সোমবার রাত পৌন ৭টার দিকে তার ছোট্ট শিশুকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাচ্ছিল।এমতাবস্থায় পথের মধ্যে বালুবাহী ৩/৪টি গাড়ী এক সঙ্গে এসে একমাত্র সড়কে যানজট সৃষ্টি করে।প্রায় ৪০মিনিটের যানজটের প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো বালু বহনকারীর হাতে নাজাহাল হয়।তারা বলেন,বালুগুলো মুক্তার বালু পয়েন্ট থেকে আনা হচ্ছে।এবিষয়ে তাৎক্ষণিক ইউএনও মহোদয়কে অবগত করেছেন বলে জানিয়েছেন। স্হানীয়রা জানান, আমিনুল হক মুক্তা নাকি স্হানীয় চেয়ারম্যানের আপন ভাতিজা। এবিষয়ে চেয়ারম্যান মনজুরুল কাদের বলেন,এই বালু উত্তোলনের সাথে মুক্তা জড়িত নেই।একটি মহল আমাদেরকে সুনামক্ষুন্ন করার লক্ষে তা রটাচ্ছে।শুধু এই পয়েন্ট নয়,বালু উত্তোলন করছেন এমন আরো অনেক পয়েন্ট রয়েছে।সবক’টি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ ফকরুল ইসলাম বলেন,আমাকে বমু খালের বালু উত্তোলন সম্পর্কে বেশকিছু লোকেরা ফোনে জানিয়েছেন বলে লাল পতাকার উঁচিয়ে দেওয়া হয়েছিল।তবুও যারা আইন অমান্য করে বালু করছেন,আমি অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে দ্রূত ব্যবস্হা নিব।সোমবার রাতে বালু বহনকারী গাড়ীর কারণে যানজট সৃষ্টি সম্পর্কে একলোক ফোনে জানান।বিষয়টি আমি চেয়ারম্যানকে বলেছি ও সর্তক করেছি।উপজেলা প্রশাসন অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়টি কঠোরভাবে দমনে বদ্ধ পরিকর বলে জানিয়েছেন তিনি।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর