শিরোনাম :
কক্সবাজার শহরের বৃহত্তর মল্লিক পাড়ায় সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলা,উপকূলকে রক্ষা জরুরী ইনানীতে গ্যাসের আগুন আর কত দিন জ্বলবে? সিনিয়র সাংবাদিক আহমদ গিয়াস আর নেই হাত ধোয়ার নায়ক’ হয়ে সচেতনতা ছড়াবে শিক্ষার্থীরা দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যটনে অবদানের তিন পুরস্কার সায়মান হোটেল পরিবারের রোহিঙ্গা সাড়ায় স্থানীয় এনজিও বঞ্চিত, এক সংস্থার ৩৪ প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান

খরুলিয়ার নজির হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে রশিদ মেম্বারের ভাই ইয়াছিন

নিউজ রুম / ১৮৬ বার পড়ছে
আপলোড : সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজার সদর উপজেলাধীন ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়ার লাল গোলাপ কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নজির হোসেন হত্যাচেষ্টা মামলায় স্থানীয় আবদুর রশিদ মেম্বারের ভাই ইয়াছিন আরাফাতকে (২৫) অবশেষে কারাগারেই যেতে হলো। একই মামলায় তার বড় ভাই আবদুর রশিদ মেম্বার পলাতক রয়েছেন।
গত রোববার কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন মামলার প্রধান আসামি ইয়াছিন আরাফাত। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর ফারুকী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ইয়াছিন আরাফাতকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মাহবুবুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সুত্র মতে, ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া এলাকার ঘাটপাড়া এলাকায় অবস্থিত ‘লাল গোলাপ’ কমিউনিটি সেন্টারে কোন অনুষ্টান হলেই স্থানীয় আবদুর রশিদ মেম্বারের ছোট ভাই, এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত ইয়াছিন আরাফাত দলবল নিয়ে অনুষ্টানের অতিথিদের হয়রানি ও ইভ টিজিং করতেন। এই ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নজির হোসেন।
মামলার তথ্য মতে, ওই ঘটনার রেশ ধরে চলতি বছরের ১৫ মে বিকালে ইয়াছিন আরাফাতের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসি পথিমধ্যে কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নজির হোসেনের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর ও হত্যার চেষ্টা চালায়। ওই সময় নজির হোসেনের কাছে থাকা নগদ এক লাখ টাকা লুট করে হামলাকারিরা।
হামলার খবর পেয়ে দ্রুত স্বামীকে রক্ষা করতে আসলে নজির হোসেনের স্ত্রীকেও মারধর করা হয়।
এই ঘটনায় হামলার শিকার নজির হোসেনের ছেলে আদনান সামি বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি হত্যাচেষ্টা ও চুরি-ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
এই মামলার ৬ আসামি হলেন খরুলিয়া ঘাটপাড়ার মরহুম নুর আহমদের ছেলে ইয়াছিন আরাফাত (২৫), তার ভাই স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবদুর রশিদ, স্থানীয় আবদুল করিমের ছেলে মো. আবছার (২৫), মো. দানু মিয়ার ছেলে মো. সাকিব (২০), আবদুল মোনাফের ছেলে মো. মিজান (৩৫) ও জাফরের ছেলে জামিল (২০)। এছাড়াও আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
মামলার পর প্রধান আসামি ইয়াছিন আরাফাত উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হলে গত রোববার কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু আদালত তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর