শিরোনাম :
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ যুক্তির লড়াইয়ে মুখর কুতুবদিয়া দ্বীপ

বোমা সদৃশ্য বস্তু বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে

নিউজ রুম / ১৯৯ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন ঘুমধুম এলাকার জনবসতিতে বোমা সদৃশ্য বস্তু আছড়ে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বোমা সদৃশ্য বস্তু দুটি মর্টার শেল।
রবিবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৩ টার দিকে মায়ানমার থেকে নিক্ষেপিত দুইটি মর্টার শেল নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু উত্তর মসজিদের কাছে আছড়ে পড়ে।
এতে হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও আতংক বিরাজ করছে স্থানীয় গ্রামবাসীদের মাঝে।
মোহাম্মদ আনিস নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ” বিকেলে বিকট শব্দে গোলাটি উত্তর পাড়ার আয়াজের বাড়ির কাছে এসে পড়ে। পরে আরো একটি গোলা কাছাকাছি রাস্তায় নিক্ষেপ করা হয়। আমরা আতংকে আছি, জানিনা কখন কি হয়।”
ঘুমধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ মুঠোফোনে বলেন, ” গত দুই সপ্তাহ ধরে ওপারে গোলাগুলি হচ্ছে। বিভিন্ন সুত্রে জেনেছি রাখাইনে মায়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এতদিন পাহাড়ে গোলা ছুড়লেও আজকে উত্তর পাড়ায় মর্টারশেল গুলো পড়েছে, স্থানীয়রা আতংকে আছে।”
ঘটনাস্থলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা অবস্থান নিয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে বিজিবির হেড কোয়ার্টারের পরিচালক অপারেশন মেজর ফয়েজুর রহমান জানান, সীমান্তে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে। যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সীমান্তে কর্মরত বিজিবির জোয়ানেরা।
এদিকে, রাখাইনে উত্তেজনার কারণে ঘুমধুমের দক্ষিণ কোনাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় বাস করা ৬২১ টি পরিবারের ৪ হাজার ২০০ রোহিঙ্গারাও আতংকিত হয়ে পড়েছেন।
শূন্য রেখার আশ্রয় শিবিরে বাস করা রোহিঙ্গা আবুল হাকিম (৫৩) বলেন, ” হঠাৎ করেই রাখাইনে তুমুল সংঘর্ষ হচ্ছে, আমরা আতংকে আছি কখন জানি আমাদের হতাহত হতে হয়। মায়ানমারের বিজিপি চৌকি বসিয়ে আমাদের নজরদারি করছে, নিজ দেশে আদৌ ফেরত যাবো কিনা জানি না।”
আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ইরাবতী তে সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ- মায়ানমার সীমান্তে মায়ানমারের উত্তর মংডুর ৩৮ নং সীমান্ত পোস্ট সংলগ্ন এলাকায় মায়ানমারের সেনাবাহিনী ও রাখাইনের বিচ্ছিন্ন বাদী সংগঠন আরাকান আর্মির মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়েছে।
এছাড়াও রাখাইনের পালেতুয়া এলাকায় সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩৭ জন মায়ানমারের সেনাসদস্য নিহত হয় বলে উল্লেখ করা হয় এই প্রতিবেদনে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর