শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

বিএনপির মনোনয়ন বাণিজ্যের কথা ‘ফাঁস করলেন’ প্রধানমন্ত্রী

নিউজ রুম / ১৬৭ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিল জনগণের রুদ্ররোষে। এটা বিএনপির জানা দরকার, মনে রাখা দরকার। জনগণের ভোট চুরি করলে জনগণ ছেড়ে দেয় না। জনগণও জানে কীভাবে সেই সরকার উৎখাত করতে হয়। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়। আমরা ভোট চুরি করতে যাব কেন? জনগণ স্বতস্ফূর্তভাবে আমাদের ভোট দেয়।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আর বিএনপি জিতবে কীভাবে, ২০১৮ সালের নির্বাচন এক সিটে যদি তিন জন করে মনোনয়ন দেয়। এখানে ফখরুল একজনকে মনোনয়ন দেয়, রিজভী একজনকে দেয় আর লন্ডন থেকে তারেক দেয় আরেকজনকে। যে যত টাকা পায় সে ততটা মনোনয়ন দেয়, সেখানে হলো টাকার খেলা। তারপরে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে বলে আমাদের নির্বাচন করতে দিলো না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির নেতা, অন্তত দুই জন আমার কাছে এসে নালিশ করে গেছে। সিলেটের ইনাম আহমেদ চৌধুরী এসে বললেন, দেখো আমার কাছে টাকা চেয়েছে তারেক জিয়া, আমি দিতে পারিনি। তাই আমার মনোনয়ন বাতিল করে যার কাছ থেকে টাকা পেয়েছে তাকে মনোনয়ন দিয়েছে। মোর্শেদ খান, তিনি নিজে এসে বলেছেন, তার কাছে মোটা অংকের টাকা চেয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘‘আমি এ টাকা দিতে পারবো না। এর জন্য মনোনয়ন ক্যান্সেল (বাতিল)।’’ এই হলো তাদের ২০১৮-এর নির্বাচন।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটা আমাদের দেশের যারা বুদ্ধিজীবী অনেকে ভুলেই গেছে, এ কথাগুলো লিখবে। ওইভাবে নির্বাচন করে নির্বাচনে জেতা যায় না, এটা হলো বাস্তবতা। সকালে এক জনের নাম দেয়, দুপুরে আরেকটা নাম দেয়, বিকেলে আরেকটা নাম যায়। এইভাবেই হলো তাদের ইলেকশন যে ঢালো কড়ি, মাখো তেল। যে টাকা দেবে পেয়ে যাবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যে দলের এই অবস্থা তারা গণতন্ত্র উদ্ধার করবে! যাদের জন্মই হয়নি গণতন্ত্রের মধ্য দিয়ে। জন্ম হয়েছে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমানের পকেট থেকে। হ্যাঁ, সেই দল কিছু রাজনীতি শিখেছে আমাদের কাছে যৌথ আন্দোলন করে। কারণ এরশাদবিরোধী আন্দোলন যখন আমরা করি ওই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে কিছু শিখেছে। এটা হলো বাস্তব কথা।’


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর