শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

জরায়ুমুখের ক্যান্সার ও প্রতিরোধ

নিউজ রুম / ১৪৮ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

::ডা. সোমা চৌধুরী ::
আমাদের দেশের নারীরা
পুষ্টিহীনতা, রক্তস্বল্পতা, জরায়ু
মুখের ক্যান্সার এসব রোগে
বেশি ভোগে। ২০১৮ সালের
এক তথ্যমতে বাংলাদেশে
প্রতিবছর ১২ হাজার এর বেশি নারী মারা যান
জরায়ুমুখের ক্যান্সারে। অথচ একটু সচেতন হলেই
এই ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। হিউম্যান
প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) জরায়ুমুখের
ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। বিভিন্ন প্রজাতির
হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) এর
মধ্যে দুই ধরনের এইচপিভি এই ক্যান্সার সৃষ্টি
করে। এইচপিভি যখন জরায়ুমুখে আক্রমণ করে
তখন কিছু পরিবর্তন আসে এবং পরে তা ক্যান্সারে
রূপ নেয়। এই ক্যান্সার এর বড় অসুবিধা হলো
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শেষ পর্যায়ে রোগটা ধরা পড়ে।
মেয়েরা আগে যে ছোটখাটো সমস্যা থাকে,
সেগুলো আমলে নেন না। কিন্তু তাঁরা একটু
খেয়াল করে সরকারি সেবাকেন্দ্রে গিয়ে বিনামূল্যে
ভায়া পরীক্ষা করাতে পারেন। এখন অনেক সময়
বিভিন্ন কেন্দ্রে ক্যাম্প করে ভায়া পরীক্ষা করানো
হয়। যারা যৌন সম্পর্কে আছেন বা কোন রকম
সমস্যা অনুভব করছেন অথবা কোন সমস্যা নেই
সকল নারী ভায়া করাতে পারেন। এই পরীক্ষার
মাধ্যমে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের কোন পূর্ব লক্ষণ
আছে কিনা বোঝা যায়।
যেসব মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে হয়, অল্প বয়সে
শারীরিক সম্পর্ক হয়, বেশি ঘন ঘন বাচ্চা হয়,
ধুমপান করে, যার স্বামীর একাধিক যৌনসংগী
রয়েছে সেসব নারীর এই ক্যান্সারের সম্ভাবনা
বেশি। জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধের সবচেয়ে
ভালো উপায় ভ্যাক্সিন। আমাদের দেশে দুই
ধরনের ভ্যাক্সিন পাওয়া যায়। যেমন: সারভেরিক্স
এবং গারডাসিল। কিশোরী বয়স থেকে শুরু করে
যে কোন নারী এই ভ্যাক্সিন দিতে পারে। তবে
এগুলো এখনো বেসরকারিভাবে টাকার বিনিময়ে
নারীরা পাচ্ছে। প্রতিটা ভ্যাক্সিন এর জন্য প্রায়
২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা খরচ হয়। তবে তিন
ডোজ ভ্যাক্সিন নিলে (০, ১, ৬) ৭০%-৮০%
শংকামুক্ত থাকা যায়। তাই আমরা বলি, তিন
বছর পর পর ভায়া পরীক্ষা করুন এবং ভ্যাক্সিন
নেবার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সুস্থ
থাকতে হলে নিজে সচেতন হোন এবং প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
লেখক: অবস্ ও গাইনী বিশেষজ্ঞ


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর