শিরোনাম :
দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যটনে অবদানের তিন পুরস্কার সায়মান হোটেল পরিবারের রোহিঙ্গা সাড়ায় স্থানীয় এনজিও বঞ্চিত, এক সংস্থার ৩৪ প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা

চিকিৎসাধীন হাতির মৃত্যু : গুলি করে আহত করার অভিযোগ

নিউজ রুম / ১৫৯ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন

জিয়াউল হক জিয়া :
কক্সবাজারের চকরিয়া উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের খুটাখালী বনবিটের খেশাহলা নামক সংরক্ষিত বনে গুলিবিদ্ধ হাতিটি চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা গেছে। পুরুষ হাতিটির বয়স আনুমানিক ২৭/২৮ বছর।
রোববার (১১ জুন) ভোরে হাতিটি মারা যায়। ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ফজলুল কাদের চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাতে ফুলছড়ি রেঞ্জের খুটাখালী বনবিটের খেশাহলা নামক সংরক্ষিত বনে একটি গুলিবিদ্ধ হাতি দেখতে পান। পরে বনবিভাগকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বনকর্মীরা পাহারায় থেকে হাতিটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। রোববার ভোর রাতে ওই হাতিটি মারা যায়।
তবে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আম বাগানের মালিক হাতিটি তাড়াতে গিয়ে গুলি করে। এতে হাতিটি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে ঢলে পড়ে। এর আগেও ওই এলাকায় আরো দুটি হাতির মৃত্যু হয়েছে।
ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা ফজলুল কাদের চৌধুরী বলেন, ‘শুক্রবার রাতে হাতিটি খুটাখালী বনবিটের সংরক্ষিত বনে অসুস্থ হাতিটির অবস্থান সনাক্ত করা হয়। শনিবার সকালে চিকিৎসা শুরু করা হয়। রোববার ভোররাতে হাতিটি মারা যায়। কী কারণে হাতিটি মারা গেছে তার ময়নাতদন্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে হাতিটির মরদেহ মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি জানান,গত ২/৩দিন আগে গোদার ফাঁড়ির ও খুটাখালী ছড়ার পশ্চিমপাশে আম বাগানে হাতিটি আসলে,বাগানের মালিক হাতিটি তাড়ানোর জন্য গুলি করেছিল।হয়তো গুলির আঘাতে হাতিটি ফের পূর্বদিকে চলে যায়।পরে বনের ভিতরে ছনখোলা নামক জঙ্গলে ব্যথাার যন্ত্রণায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। পরে মারা যায়।
পরিবেশবাদী সংগঠন ইনভাইরনমেন্ট পিপলস এর নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন, বারবার ওই এলাকায় হাতি মারা যাচ্ছে কেন। এটা আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে। এ হাতিম মৃত্যুর সাথে কোন চক্র জড়িত আছে কিনা তা খুঁজে বের করতে হবে।
কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, আমরা অনেক চেষ্টা করে হাতিটিকে বাঁচাতে পারলাম না। পোস্ট মডেমের রিপোর্ট আসার পর আমরা অবশ্যই মামলা করব। হয়তো একটি চক্র এই হাতেটিকে হত্যা করতে পারে। যদি সেটি প্রমাণিত হয় তাহলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর