শিরোনাম :
কক্সবাজারে নয়ন সাধু নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা সেই ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে মুক্ত টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার রামুতে সাড়ে ২৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটক

নিউজ রুম / ১৩৪ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন

নুরুল আলম :
পবিত্র ঈদুল আযহার টানা ছুটিতে কক্সবাজার বিপুল সংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। সমুদ্র সৈকত ছাড়াও আশপাশের পর্যটন স্পটগুলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছে পর্যটকরা। তাদের নিরাপত্তায় নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। তবে হোটেল হোটেলের ৩০ শতাংশ এখনো খালি রয়েছে।
পবিত্র ঈদুল আযহার টানা ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে বিপুল সংখ্যক পর্যটক এর সমাগম ঘটেছে। সৈকতের নানা পয়েন্টে ঘুরে বেড়াচ্ছে পর্যটকরা। ঢাকা থেকে আসা পর্যটক যাযাবর মিন্টু বলেন, আমি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করি আর আমার স্ত্রী সরকারি চাকরি করে। ফলে আমরা একসাথে ছুটি কোনোভাবে মিলাতে পারি না। এবার ঈদের ছুটিতে একসাথে আমরা আসলাম কক্সবাজারে। পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঈদের দিন কক্সবাজার ছুটে আসি। পরিবার পরিজন নিয়ে খুব ভালো সময় কাটালাম এখানে। তিনি বলেন, কক্সবাজারের পরিবেশ এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে। ঝালকাঠি থেকে আসা পর্যটক সাহেদ জানান, ঈদের ছুটিতে তারা পাঁচ বন্ধু মিলে কক্সবাজারে এসে খুব ভালো সময় পার করছেন।
সিলেটের জকিগঞ্জ থেকে আসা পর্যটক মুজিবুর রহমান বলেন, সৈকতের বালিয়াড়িতে ভালো সময় পার করেছি। সাগরে গোসল করার পর সব ক্লান্তি যেন দূর হয়ে যায়।
সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন ঝিনুক মার্কেট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি কাসেম আলী বলেন, সৈকতে মোটামুটি পর্যটক দেখা যাচ্ছে। তবে আমাদের মার্কেটে তেমন বেচা বিক্রি বাড়েনি। আমরা আশা করছি সামনে হয়তো বিক্রি বাড়বে।
হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি লায়ন আব্দুল করিম সিকদার বলেন, আমাদের হোটেল গুলোতে প্রায় সময় পর্যটক থাকে। এখনো আছে। তবে পুরো বুক হয়নি।
কক্সবাজার আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, পর্যটক হয়েছে, তবে এখনো হোটেল গুলোর ৩০ শতাংশ রুম খালি রয়েছে।
কক্সবাজার শহরের প্রায় চার শতাধিক হোটেল রয়েছে। এসব হোটেল গুলোর এখনো ৩০ শতাংশ রুম খালি রয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে।
সমুদ্র সৈকত ছাড়াও, ইনানী, হিমছড়ি, পাটোয়ারটেক, রামুর বৌদ্ধবিহার, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক সহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে বেড়াচ্ছে পর্যটকরা।
টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজওনের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান বলেন, কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তায় ব্রিটিশ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সমস্ত পর্যটন স্পটগুলোতে পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছে টুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, কক্সবাজারে আগত পর্যটকরা যাতে কোন ভাবে হয়রানি শিকার না হয়, সেজন্য জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তিনটি টিম কাজ করছে সমুদ্র সৈকত ও আশপাশের এলাকায়।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর