শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

ঘূর্ণিঝড় মিধিলিতে কক্সবাজারে কৃষিতে ক্ষয়ক্ষতি

নিউজ রুম / ১৫৪ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন

সাকলাইন আলিফ :

বাংলাদেশের উপকূলের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় মিধিলিতে কক্সবাজারে কৃষি সেক্টরে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানের বরজ ,আমন ধান ,শীতকালীন আগাম শাকসবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটা ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতে আরেকটা ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতিতে দিশার হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

উপকূলের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় মিধিলিতে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় কৃষি সেক্টরের ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে উঠতি আমান ফসলের।

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের জেমঘাট এলাকার বাসিন্দা পান চাষী রফিকুল ইসলাম বলেন, মাত্র কিছুদিন আগে ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত পানের বরজ টা একটু দাড় করানোর সাথে সাথে আবার আরেকটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত করেছে। এতে আমার বরজ টা আবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চকরিয়ার পশ্চিম বড় বেওলা এলাকার কৃষক ইকরাম বলেন, আমার আমন ধানগুলো পাকার শেষ পর্যায়ে। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সবগুলো ধান পড়ে গেছে। এখন কি করবো বুঝতে পারছি না। কোন কৃষি অফিসার ও আসেনি এখনো মাঠে।

রামু উপজেলার গর্জনিয়া এলাকার কৃষক রহিমুল্লাহ উল্লাহ বলেন, শীতকালীন আগাম শাকসবজির চাষ করছিল। মনে করছিলাম অগ্রিম সবজি বের হলে কিছু টাকা পাব। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ে সব শেষ হয়ে গেছে।

চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম বলেন, আমার এলাকার কৃষকরা ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবজির অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে আমরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করেছি। আমরা তাদের নানাভাবে সহায়তা ও পরামর্শ দিচ্ছি। যাতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

কক্সবাজার জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ কবির হোসেন জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় মিধিলিতে কক্সবাজার জেলায় ২০ হেক্টর পানের বরজ, ১৪৫ হেক্টর আমন ধান, ১৮০ হেক্টর শীতকালীন আগাম শাকসবজি ও ১১ হেক্টর  সরিষা চাষের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নানাভাবে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর