শিরোনাম :
পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১ লাখ ৫২ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল

নিউজ রুম / ১৫৩ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন

চৌধুরী ইকরাম :

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থিত ৩৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১ লাখ ৫২ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়াবে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগ। আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিনে ৩৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আলাদাভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সহায়তায় চলবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। একই সাথে আগামী ১২ ডিসেম্বর কক্সবাজার জেলায় ৪ লাখ ৮১ হাজার ৮১১ শিশুকেও খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল।

মংগলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারে জেলা ইপিআই সেন্টার মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা বিপাস খিসা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সিভিল সার্জন জানান বরাবরের মতো এবারও জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনে উখিয়া টেকনাফে অবস্থিত রোহিঙ্গা শিশুদের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ। এবার পাঁচ দিন ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১লাখ ৫২ হাজার ৩৫৭ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাসুল। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১৫ হাজার ৬৬৫ শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৯২ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো হবে। এ জন্য ক্যাম্পে ৪৫টি সমন্বিত পুষ্টি কেন্দ্র থাকবে। ক্যাম্পে ৪২১ টি টিমে ৯০০ সেচ্ছাসেবক ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে অংশ নেবে। স্বেচ্ছাসেবকরা প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্যাম্পে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানোর পাশাপাশি পুষ্টি বার্তা প্রদান, তীব্র অপুষ্ট শিশু শনাক্ত করে সমন্বিত পুষ্টি কেন্দ্রে পাঠাবে। তিনি জানান ৩৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা রয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৭ জন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ টি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করা হবে। সংস্থা গুলো হচ্ছে গন স্বাস্থ্য কেন্দ্র সার্ভ, শেড, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, এসডো ও কনসার্ন ওয়ার্ল ওয়াইড।

ব্রিফিংয়ে সিভিল সার্জন জানান দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। দিনব্যাপী ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো হবে। এ দিন কক্সবাজার জেলায় ৪ লাখ ৮১ হাজার ৮১১ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল। ৬ থেকে ১২ মাস বয়সের নিচে শিশুদের নীল রংঙ্গের ক্যাপসুল দেওয়া হবে। ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের লাল রংঙ্গের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সঠিক বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মসজিদ, মন্দির বিভিন্ন উপাসনালয়ে প্রচারনা ছাড়াও জেলা ব্যাপী মাইকিং করে প্রচারনা চালানো হবে বলেও জানান তিনি।

কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা: বিপাশ খিসা জানান, কক্সবাজার জেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৫৮ হাজার ২০৯ শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪লাখ ২৩ হাজার ৬০২ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো হবে। জেলায় স্থায়ী, অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমান সহ ১৮১১টি টিকাদান কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো হবে। কোনো শিশু যেন টিকা খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে সে জন্য রেল স্টেশন, বাস স্টেশন ও সমুদ্র সৈকত এলাকায় ভ্রাম্যমান ১৭টি টিকাদান কেন্দ্র থাকবে। এসময় ২৩৪ জন তত্ত্বাবধায়ক, ২২৫ জন স্বাস্থ্য সহকারী, ১৭৩ জন পরিবার কল্যান সহকারী ও ৫ হাজার ৪০৬ জন সেচ্ছাসেবক দ্বায়িত্ব পালন করবেন।

ব্রিফিংয়ে বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেন, কক্সবাজারের সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা: শাহ ফাহিম আহমদ ফয়সল ও ডা: কণিনীকা দস্তীদার। উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রাদিয়া আফরোজ, জেলা ইপিআই সুপার সাইফুল ইসলাম, ইউনিসেফ প্রতিনিধি মো: শাহ আলম।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর