শিরোনাম :
উখিয়ায় সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু গবেষণা-ভিত্তিক আচরণ পরিবর্তনে প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগের কর্মশালা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শনে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তার অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল : বিভিন্ন মহলের শোক টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সবজির বাজারে অস্থিরতা ইংরেজি অলিম্পিয়াডে যুক্তরাজ্য হতে সমুদ্রকন্যা ফিরলেন মেডেল হাতে মহেশখালীর বন্যাকবলিত ৭০০ পরিবারকে সিপিজিসিবিএলের ত্রাণ সহায়তা সাতকানিয়ায় বন্যার্ত ৮৫০ মানুষকে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাদ্রাসাভবনের ওপর পাহাড় ধসে পাঁচ শিক্ষার্থী নিহত

সৈকতে আরও একটি কচ্ছপ ১৩২টি ডিম পেড়েছে

নিউজ রুম / ১৫৫ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে অলিভ রিডলি বা জলপাই রঙের আরও একটি সামুদ্রিক কচ্ছপ ১৩২টি ডিম পেড়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১২টায় উখিয়া উপজেলার সোনার পাড়া সৈকতে ডিম দিয়ে কচ্ছপটি সাগরে ফিরে যায়।
বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের(বোরি) বিজ্ঞানীরা ডিমগুলো সংগ্রহ করে বৈজ্ঞানিক উপায়ে সৈকতের হ্যাচারিতে সংরক্ষণ ব্যবস্থা করেছেন বলে জানিয়েছেন বোরির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদ। তিনি বলেন, এর আগে একই সৈকতে আরও একটি কচ্ছপ ১২৫ডিম পেড়েছে। এ ডিমগুলোও বাচ্চা ফোটানোর জন্য সংরক্ষণ করা হয়।
বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন,সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রায় দুই ফুট মাটি খুঁড়ে ডিমগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছে। আগামী ৫০ থেকে ৫৫ দিনের মধ্যে ডিমগুলো থেকে বাচ্চা ফুটবে। এরপর বাচ্চাগুলো সাগরে অবমুক্ত করা হবে।
তিনি বলেন, নভেম্ভর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রজনন মৌসুম ধরা হয়। এর মধ্যেই মা কচ্ছপ ডিম পাড়তে সৈকত তীরে  আসে। এ সময়ে সৈকতে এসে অনেক জায়গায় কচ্ছপ মারাও পড়ছে।
এদিকে চলতি মাসের ২ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি উখিয়া ও টেকনাফ সৈকতে আরও নয়টি মা কচ্ছপ ১ হাজার ৭৭টি ডিম পেড়েছে। ডিমগুলো বেসরকারি সংস্থা কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার(কোডেক) নিজেদের হ্যাচারিতে বাচ্চা ফোটানোর উদ্দেশ্যে  সংগ্রহ করেছে বলে জানা গেছে। ইউএসএআইডির অর্থায়নে পরিচালিত নেচার অ্যান্ড লাইফ প্রকল্পের মাধ্যমে সামুদ্রিক কচ্ছপ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।#


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর