শিরোনাম :
পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী

কক্সবাজারে আগুনে ২১ দোকান পুড়ে ছাই

নিউজ রুম / ১৪৩ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন

রহমান তারেক :

কক্সবাজার সদরের খরুলিয়া বাজারে মধ্যরাতে আগুনে ২১টি দোকান পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের  এক ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও সব কিছুই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন স্থানীয় লোকজন।
স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার পরপরই মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে মুদি দোকান, একাধিক শো-রুম, চায়ের দোকান, ফার্মেসী, ইলেকট্রি এন্ড হার্ডওয়্যার, গাছের গুদাম, একটি কীর্টনাশের দোকান ও একাধিক ফার্নিচারের দোকানসহ ২১টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
জানা গেছে, মার্কেটটিতে প্রায় অর্ধশত দোকান আছে। এসব দোকানে কাজ করে তিন শতাধিক মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোতে কোটি টাকার মালামাল ছিল। মার্কেটের পেছনের অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে পুরো মার্কেটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে মার্কেটের বেশিরভাগ অংশ ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছে।
ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান বলেন, খরুলিয়া গরু বাজারের পূর্ব অংশের আমিন মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে। শুরুতে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও পুড়ে যাওয়া দোকানগুলো ফার্নিচার, গাছের গুদাম ও টিনের বেড়া হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
খরুলিয়া বাজার কমিটির কোষাধ্যক্ষ নুরুল আজিম জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তিনি ব্যবসায়ীদের ঘুড়ে দাঁড়ানোর জন্য সরকারি সহায়তা দাবি করেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, দোকান থেকে কোন মালামাল বের করতে পারেননি তারা। কয়েকজন ব্যবসায়ী কিছু কিছু মালামাল বের করতে পারলেও সেগুলো পানিতে নষ্ট হয়ে যায়। আগুনে ব্যবসার পুঁজি হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। আগুনে দোকান পুড়ে যাওয়ায় নিঃস্ব হয়ে গেছেন তারা। ঈদের আগে এই আগুনের তাদের যে ক্ষতি হয়ে গেলো সেটা পূরণ করা প্রায় অসম্ভব।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর