শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

আবারো ৭ দিনের রিমান্ডে পেকুয়া নেওয়া হচ্ছে জাফর আলমকে, নিরাপত্তার শঙ্কা

নিউজ রুম / ১১২ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজার-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমকে চকরিয়া থানায় ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে পেকুয়া থানায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বুধবার (২ জুলাই) একটি মামলার রিমান্ড শুনানি শেষে তাঁকে ৭দিনের রিমান্ডে জন্য পেকুয়া পাঠানো হচ্ছে বলে আদালত সুত্রে জানা গেছে ।

গত ১৮ জুন চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রে আদালত, চকরিয়া থানার পাঁচটি এবং পেকুয়া থানার দুইটি মামলায় মোট ১৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। এর মধ্যে চকরিয়ার পাঁচটি মামলায় ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে হয়েছে। আজ বুধবার পেকুয়ার ৩টি মামলায় তাঁকে ৭ দিনের রিমান্ডে পেকুয়া থানায় নেওয়া হবে।

এদিকে সাবেক এমপি জাফর আলমরে আদালতে হাজির করার খবরে আদলত প্রাঙ্গনে কয়েক দফা উত্তেজনা দেখা দেয়। গত ১৮ মে, ২১ মে এবং ১৮ জুন চকরিয়া আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করে। অপরদিকে, ১৮ জুন এমপি জাফরের মুক্তির দাবিতে মিছিল করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, জাফর আলমকে প্রথমে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে পেকুয়া থানায় না নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে হঠাৎ করেই সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। তাঁকে পেকুয়া নেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, গোয়েন্দা প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে তাঁকে পেকুয়া থানায় নেওয়া হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। তাঁর নিরাপত্তা ঝূঁকি রয়েছে।

জাফর আলমের পরিবারের দাবি, ৬৯ বছর বয়সী, পিত্তথলি অপসারণ করা এবং উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়বেটিসে ভুগছেন—এমন একজন সিনিয়র সিটিজেন ও সাবেক এমপিকে টানা ২১ দিন রিমান্ডে রাখা অমানবিক ও নজিরবিহীন। তাঁদের অভিযোগ, একজন প্রভাবশালী সিনিয়র নেতার প্রভাবে আদালত ও প্রশাসন বিবেকবর্জিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পরিবার আরও জানায়, পেকুয়া থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। বিশ্বস্ত সূত্রে তারা জানতে পেরেছে, রিমান্ড চলাকালে বিএনপি ও যুবদলের দুইজন সিনিয়র নেতা থানায় প্রবেশ করে মব সন্ত্রাস চালানোর পরিকল্পনা করেছে। থানাটি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের বাড়ির নিকটবর্তী হওয়াও নিরাপত্তা ঝুঁকির একটি বড় কারণ বলে মনে করছেন তাঁরা।

এ ছাড়া পেকুয়ায় কোনো মানসম্পন্ন হাসপাতাল না থাকায় জাফর আলমের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

এমপি জাফরের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে জেলগেটে অথবা প্রয়োজনে চকরিয়া বা কক্সবাজার সদর থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবী জানানো হয়।

উল্লেখ্য ইতোপূর্বে ঢাকার পল্টন থানার একটি হত্যা মামলায় ৪দিনের রিমান্ড দিয়েছিলেন ঢাকার একটি আদালত।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর