শিরোনাম :
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাদ্রাসাভবনের ওপর পাহাড় ধসে পাঁচ শিক্ষার্থী নিহত উখিয়ায় অতিবৃষ্টিতে মাটির দেয়াল ধসে দিনমজুর নিহত উখিয়ায় ড্রামে লুকানো ১ লাখ ১০ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ফের পাহাড়ধস, গৃহবধূ নিহত উখিয়ায় দুর্যোগপ্রবণ এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও, প্রস্তুত ৪৫ সাইক্লোন সেন্টার এক টানাভারি বর্ষণে চকরিয়া,মাতামূহুরী ও পেকুয়ায় পাহাড় ধসের আশঙ্কাঃসরানো হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারকে কক্সবাজারে পাহাড় ধসে রোহিঙ্গাসহ ৯ জনের মৃত্যু সোনাদিয়ায় স্থানীয় সাংসদ ও স্বজনরা গাছ কেটে চিংড়ি প্রকল্প তৈরি করছে…হামিদ আযাদ পিরিয়ডবান্ধব বিশ্ব গড়ার প্রত্যয়ে কক্সবাজারে বিশ্ব মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা দিবস পালিত কুতুবদিয়ায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা করুন: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ

কক্সবাজারে শনিবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন

নিউজ রুম / ১৭ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন

সাকলাইন আলিফ :

সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারেও আগামী ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ (প্রথম রাউন্ড)। এ উপলক্ষে জেলার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ শিশুকে বয়সভেদে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পৃথকভাবে এ কর্মসূচি সম্পন্ন করা হয়েছে।

সোমবার জেলা ইপিআই সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. টিটু চন্দ্র শীল।

তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষায় সহায়ক, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডায়রিয়া, হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগজনিত জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। অপরদিকে ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতির কারণে রাতকানা, চোখের মারাত্মক ক্ষতি, অপুষ্টিজনিত জটিলতা এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

তিনি জানান, ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লাখ আইইউ) এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লাখ আইইউ) খাওয়ানো হবে।

জেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ১ হাজার ৮২৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলার ৮টি উপজেলা, একটি পৌরসভা, ৭১টি ইউনিয়ন এবং ২৯টি ওয়ার্ডে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এতে দায়িত্ব পালন করবেন ৪ হাজার ৮৬৮ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও ৩ হাজার ১৩০ জন স্বেচ্ছাসেবক।

লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশুদের মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৬১ হাজার ৮৩৫ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৩১ হাজার ৪৮০ জন শিশু রয়েছে।

ডা. টিটু চন্দ্র শীল আরও জানান, পর্যটন নগরী কক্সবাজারে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পর্যটক পরিবারের শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সমুদ্র সৈকত এলাকা ও কক্সবাজার রেলস্টেশনে পৃথক ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এসব কেন্দ্র থেকে আগত পর্যটক পরিবারের ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুরাও সহজেই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ করতে পারবে।

তিনি বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি। শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যু হ্রাসে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কক্সবাজারে কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন জেলার সকল অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী ২৮ জুন ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করতে হবে। একটি সুস্থ, সবল ও অপুষ্টিমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তোলার জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর