শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

কক্সবাজার সৈকতে দীর্ঘদিন পর ডিম দিল কাছিম

নিউজ রুম / ১৩৭ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
নানা কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর, অবশেষে কক্সবাজার সৈকতে এসেছে সামুদ্রিক কাছিম।
সৈকতের নির্জন এলাকায় ডিম দিয়ে আবার সৈকতে ফিরে গেছে একটি কাছিম।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের রামুর
পেঁচার দ্বীপ সৈকত এলাকায় একটি কাছিম ডিম দেয়।

নেচার কনজার্ভেশন ম্যানেজমেন্ট (নেকম) এর প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থাপক মোঃ আব্দুল কাইয়ুম জানান পেঁচার দ্বীপ সৈকত এলাকায় অলিভ রিডলে কাছিম ১২৫ টি ডিম দিয়েছে। ইউএসএআইডির ইকো লাইফ প্রকল্পের আওতায় এক্স সিটু্ প্রদ্ধতিতে এসব ডিম সংরক্ষণ করা হয়। এ মৌসুমে কক্সবাজার এলাকায় প্রথম কাছিমের দেখা মিলেছে। কাছিম ১২৫ টি ডিম পেড়ে নিরাপদে সাগরে ফিরে গেছে।
নেকমের মাঠকর্মি আব্দুল লতিফ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ডিম সংগ্রহ করে এক্স সিটু্ প্রদ্ধতিতে সৈকতের বালিয়াড়ীর নিরাপদ স্থানে ডিমগুলো সংরক্ষণ করেন।
নেকমের সহকারী পরিচালক ড শফিকুর রহমান জানিয়েছেন হ্যাচারীতে আগামী প্রায় তিন মাস ডিমগুলোর নিবিড় পরিচর্যা করা হবে। এর পর ডিম ফুটে বাচ্চা বের হলে কাছিমের বাচ্ছাগুলো আবার নিরাপদে সাগরে অবমুক্ত করে দেয়া হবে। তিনি জানান সর্বশেষ কক্সবাজার এবং সেন্টমার্টিন্স দ্বীপের সৈকতে কাছিম ডিম দিয়েছিল গতবছরের এপ্রিল মাসে। সাধারণত সামুদ্রিক কাছিম সৈকতে ডিম দেয় সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল মে মাসে। কিন্তু বেশ ক’বছর ধরে কক্সবাজারে সৈকতে সামুদ্রিক কাছিম খুব কমই দেখা মিলছে। সেপ্টেম্বর অক্টোবর নভেম্বর ডিসেম্বরে কাছিম ডিম পাড়ার সময় হলেও কাছিম এ সময়ে ডিম পাড়তে আসছে না। গত বছর জানুয়ারির ১৫ তারিখ কাছিম প্রথম ডিম দেয় কক্সবাজার সৈকত এলাকায়।
নেকমের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থাপক আব্দুল কাইয়ুম জানান নেকমের গবেষণায় দেখা গেছে বিগত ২০১২ সালে যেখানে কক্সবাজার এর ৫২টি জায়গায় কাছিম ডিম পারতে আসতো সেখানে এখন মাত্র ৩৪ টি জায়গায় ডিম পারতে উঠে। তিনি জানান, সাগরপারে যত্রতত্র ট্যুুরিজম, বিচ বাইক চালানো, ডিম পাড়ার জায়গায় ঝাউ গাছ রোপণ, হোটেল মোটেল গড়ে ওঠা, সাগরপারে আলো জ্বালানো, কারেন্ট জাল, ভাসাজালে আটকে, শিকারি পাখি, শিয়াল, কুকুরের অবাধ বিচরণ ইত্যাদি কারণে কক্সবাজারের সৈকতের বালিয়াড়িতে কাছিমের আগমন কমে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার বলেন, কক্সবাজার সৈকতে অনেক দিন পর সামুদ্রিক কাছিম এসে নিরাপদে ডিম দিয়ে চলে গেল।
এটা আমাদের যেকোন ভাবে ধরে রাখতে হবে। কাছিম কোনোভাবেই বিরক্ত করা যাবে না। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর