শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

মহেশখালীতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৩ জলদস্যু আটক : উদ্ধার ১৬ জেলে

নিউজ রুম / ১৩০ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজারের মহেশখালীতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৩জন জলদস্যুকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় ডাকাতির শিকার হওয়া ১৬জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়।

আজ বৃহষ্পতিবার (২ফেব্রুয়ারী) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দিনভর অভিযান চালিয়ে উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গা গ্রামে তাদের আটক করে।

আটককৃত জলদস্যূরা হলো- কুতুবজোম ইউনিয়নের তাজিয়া কাটা গ্রামের জাফরের পুত্র মোঃ কায়সার (১৯), আবদুল মালেকের পুত্র সোনা মিয়া (১৯) এবং ঘটিভাঙ্গা গ্রামের মকবুল আহমদের পুত্র তারেক (২৬)। তাদের কাছ থেকে ২টি দেশীয় তৈরী একনলা বন্দুক, ১টি দেশীয় তৈরী এলজি, ২টি ধারালো কিরিস, ১টি দা, ১০টি মোবাইল ফোন, ২টি হাতঘড়ি, ফিশিং বোটের ইঞ্জিনের সেল্ফ উদ্ধার করে পুলিশ।

জলদস্যূ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মীর আবদুর রাজ্জাক জানান, আজ ভোর রাতে মোবাইল ডিউটি করার সময় পুলিশের কাছে খবর আসে ঘটিভাঙ্গা এলাকার একটি ঘরে ডাকাত সদস্যরা অবস্থান করছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে মহেশখালী থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান উক্ত এলাকায় অভিযান চালায়। দিনব্যাপী অভিযানে অস্ত্রসহ তিন ডাকাতকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কবল থেকে ১৬জন জেলে ও ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক ভাবে আটককৃত ডাকাতরা ট্রলার ডাকাতি করেছে বলে স্বীকার করে।

তিনি আরো জানিয়েছেন, ২৯জানুয়ারী রাত ৯টায় কক্সবাজারের নাজিরারটেক সংলগ্ন নদী থেকে জনৈক শাহাত হোছেনের মালিকানাধীন একটি মাছ ধরার ট্রলার মাঝিমাল্লা সহ নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে গতকাল ১লা ফেব্রুয়ারী ট্রলার মালিক কক্সবাজার সদর থানায় একটি জিডি দায়ের করে। আটককৃত ডাকাতরা এই বোটটি ডাকাতি করেছে বলে স্বীকার করে এবং তাদের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে ওই ট্রলারের ১৬জন জেলেকে সোনাদিয়া চ্যানেল থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর