শিরোনাম :
দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যটনে অবদানের তিন পুরস্কার সায়মান হোটেল পরিবারের রোহিঙ্গা সাড়ায় স্থানীয় এনজিও বঞ্চিত, এক সংস্থার ৩৪ প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘আধিপত্য বিস্তারকে’ কেন্দ্র করে সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরসা ও আরএসও’র মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন নিহত

নিউজ রুম / ১৪৪ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

রুমি বড়ুয়া :
কক্সবাজারে উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘আধিপত্য বিস্তারকে’ কেন্দ্র করে সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরসা ও আরএসও’র মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩ টায় উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-২ ব্লকের ২ নম্বর পাহাড়ের সামনে খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হল, উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ২-ইস্ট নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকের মৃত গফুর আহমদের ছেলে নুর মোহাম্মদ (১৭) এবং বালুখালী ৭ নম্বর ক্যাম্পের সি-৬ ব্লকের আহমেদ হোসেনের ছেলে শামসু আলম (২৩)।
স্থানীয়দের বরাতে শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-২ ব্লকের ২ নম্বর পাহাড়ের সামনে খেলার মাঠে আরসা ও আরএসও’র ২০/৩০ জন সন্ত্রাসী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে আধা-ঘন্টার বেশী থেমে থেমে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
“ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে নুর মোহাম্মদ নামের এক সন্ত্রাসীর মৃত্যু হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয় শামসু আলম নামের আরেক সন্ত্রাসী। “
ওসি বলেন, “ খবর পেয়ে এপিবিএন পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে একজনকে মৃত অবস্থায় এবং আহত অবস্থায় একজনকে পাওয়া যায়। এরপর আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। “
শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, প্রাথমিকভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গাদের দুই সন্ত্রাসী গোষ্টির মধ্যে সংঘর্ষে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। তারপরও কারা, কি কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে এ ব্যাপারে পুলিশ খোঁজ খবর নিচ্ছে।
নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর