শিরোনাম :
উখিয়ায় সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু গবেষণা-ভিত্তিক আচরণ পরিবর্তনে প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগের কর্মশালা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শনে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তার অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল : বিভিন্ন মহলের শোক টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সবজির বাজারে অস্থিরতা ইংরেজি অলিম্পিয়াডে যুক্তরাজ্য হতে সমুদ্রকন্যা ফিরলেন মেডেল হাতে মহেশখালীর বন্যাকবলিত ৭০০ পরিবারকে সিপিজিসিবিএলের ত্রাণ সহায়তা সাতকানিয়ায় বন্যার্ত ৮৫০ মানুষকে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাদ্রাসাভবনের ওপর পাহাড় ধসে পাঁচ শিক্ষার্থী নিহত

ডিসেম্বরে বানিজ্যিকভাবে ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র

নিউজ রুম / ১৩৯ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন

রুমি শংকর :
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িকে সরকার একটি ‘ইন্টিগ্রেটেড ডেপলামেন ইনসেটিভ’ এর আওতায় নিয়ে এসেছে। তার জন্য সংসদে একটি আইনও পাঠানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত আইনটি সেখানে পাস হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

তিনি বলেছেন, প্রকল্প পরিদর্শন, সার্বিক অগ্রগতি দেখা ছাড়াও এখানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জেটি, সড়ক ও জাহাজ চলাচলের বিষয়ে একটি সমন্বয় সভা হয়েছে। যেখানে সকল স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নিজদের মতামত ব্যক্ত করেছেন এবং করণীয় বলেছেন।

বৃহস্পতিবার মাতারবাড়ির কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গভীর সমুদ্র বন্দর পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এসব কথা বলেন।

তিনি সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম থেকে নৌ পথে মাতারবাড়ির গভীর সমুদ্র বন্দরের একটি জেটিতে পৌঁছেন। সেখানে পৌঁছার পর তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। এসময় তিনি প্রকল্প পরিদর্শনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেন।

তার সঙ্গে ছিলেন, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল, বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব হাবিবুর রহমান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল আহমেদ, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান সহ বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকরা।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূখ্য সচিব বলেন, মাতারবাড়ির উন্নয়ন প্রকল্পটি বিশাল উন্নয়ন যজ্ঞ। এই প্রকল্পের কাজ যথাযত এবং দ্রæত শেষ করার নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। প্রকল্পের সাথে সাথে স্থানীয়দের দক্ষ করতে একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলতে বলা হয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠার কাজও চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা অবহিত করেছেন। এটি প্রতিষ্ঠা হলে স্থানীয় জনগোষ্ঠি প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে এই প্রকল্পে কাজ করতে পারবেন।

পরিদর্শনকালে ৬০ দিনের কয়লা মজুদ, ডিসেম্বরে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাওয়ার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন মূখ্য সচিব। তিনি বলেন, মাতারবাড়ি থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইওয়ে সড়কের ২৭ কিলোমিটার সংযোগ সড়কের কাজও দ্রæত করা হবে। এর জন্য জমি অধিগ্রহণ ও টেন্ডার প্রক্রিয়া যৌথভাবে চলছে।

তিনি বলেন, ‘মাতারবাড়ির উন্নয়ন একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করতে। যা জাতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আগে থেকে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অধিনে। এটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষই ব্যবস্থাপনা করেন।’

এসময় কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড- সিপিজিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, এখন পরীক্ষামুলক বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। যা জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হচ্ছে। আগামি ডিসেম্বর থেকে বানিজ্যিকভাবে ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবে মাতারবাড়ি কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

এর পর বিকালে মূখ্য সচিব কালারমারছড়ায় এসপিএম প্রকল্প পরিদর্শনে যান।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর