শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সাড়ায় স্থানীয় এনজিও বঞ্চিত, এক সংস্থার ৩৪ প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা

‘দেশের সর্ববৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান হবে কক্সবাজারে’

নিউজ রুম / ১৫৪ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন

রহমান তারেক :

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর)  বিজয়া দশমিতে ১৫১টি প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গাপূজা। আর দেশের সর্ববৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান পর্যটন শহর কক্সবাজারে হবে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান।
সোমবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় সৈকতের লাবণী পয়েন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। এসময় প্রতিমা বিসর্জনের দিন ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্তৃক কঠোর নিরাপত্তার কথাও বলা হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশের সুপার মো. জিল্লু রহমান বলেন, ‘দেশের সর্ববৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান হবে কক্সবাজারে। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে কক্সবাজারে ৪ থেকে ৫ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটবে বলে আশা করছি। আর পূজা বিসর্জন অনুষ্ঠা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দ মুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ট্যুরিস্ট পুলিশ সাদা পোশাকে একাধিক গোয়েন্দা দল থাকবে। একই সঙ্গে পুরো অনুষ্ঠান এলাকা সিসি ক্যামেরা এবং ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে।’
এদিকে ১৫১টি প্রতিমা ও ১৬৪টি ঘট পূজা মিলিয়ে জেলায় ৩১৫টি মণ্ডপে চলছে দুর্গাপূজা। অষ্টমির দিন থেকে পুজামন্ডপগুলোতে পুজারীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পুষ্পাঞ্জলী নেয়ার জন্য মন্ডপে মন্ডপে পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। প্রত্যেক পুজা মন্ডপে চলে চণ্ডীপাঠ। চণ্ডীপাঠ শেষে শুরু হয় আরতি। সেই সঙ্গে পুজা মন্ডপগুলোতে বাড়তে থাকে ভক্তদের সমাগম।
সম্প্রতি পূজা মন্ডপগুলো পরিদর্শন করেন র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচএম সাজ্জাদ হোসেন।
তিনি বলেন, ‘কোন সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী পূজাকে কেন্দ্র করে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা  সৃষ্টি করতে না পারে তাই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকল পূজা মন্ডব নজরদারি তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া এই দুর্গাপূজা উৎসবে কেউ বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর