শিরোনাম :
কক্সবাজারে নয়ন সাধু নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা সেই ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে মুক্ত টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার রামুতে সাড়ে ২৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি

অপহরণসহ সকল অপরাধ বন্ধে পুলিশ-জনতার ঐক্য চান পুলিশ সুপার

নিউজ রুম / ১৫১ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ কেন্দ্রিক অপহরণসহ সকল অপরাধ বন্ধে পুলিশ-জনতার ঐক্য চান কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম।
তিনি বলেছেন, জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ২ শত করে ৪ ইউনিয়ন থেকে ৮ শত মানুষ এক হয়ে এগিয়ে আসুন। এই ৮ শত স্থানীয় জনতাকে সাথে নিয়ে টেকনাফ-উখিয়ার পাহাড়ে-পাহাড়ে পরিচালিত হবে সাঁড়াশি অভিযান। অপহরণকারি দূর্বৃত্তদের শেকড় কেটে দেয়া হবে। কোনভাবেই আর একটি মানুষও অপহরণ দেখতে চায় না পুলিশ।
পুলিশ পাহাড়ের উঠা বা পাহাড়ি পথ সম্পর্কে জ্ঞাত নন মন্তব্য করে পুলিশ সুপার বলেন, আপনাদের পরিবারের সন্তান অপহরণ হচ্ছে। আপনারা চুপ থাকবেন না। এগিয়ে আসুন, পুলিশকে পথ চিনতে সহযোগিতা করুণ। পুলিশ আপনাদের পাশেই রয়েছে।
বুধবার দুপুরে টেকনাফের রঙ্গিখালী মাদ্রাসায় অপরাধ প্রতিরোধ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার এসব কথা বলেন।
টেকনাফের পাহাড় কেন্দ্রিক একের পর এক অপহরণের ঘটনার প্রেক্ষিতে টেকনাফ উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের উদ্যোগে টেকনাফ-উখিয়ার জনপ্রতিনিধি সহ স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে আয়োজন করা হয় এই সভা।
সভায় উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা তাদের বক্তব্যে এই জনপদ এক সময় শান্তি-শৃঙ্খলার জনপদ ছিল। ২০১৭ সালে বাস্তুচুত মিয়ানমারের নাগরিক আসার পর অশান্ত হয়ে উঠেছে এমন কথা পুলিশ আমলে নিয়েছে উল্লেখ করে পুলিশ সুপার সকলকে নিয়ে প্রতিরোধ করার আহবান জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, আপনাদের সকলের সহযোগিতায় আইন আইনের গতিতে চলবে। এখন আপনারা রোহিঙ্গাদের বাড়ি ভাড়া দেয়া বন্ধ করুণ। আপনারাই বলেছেন রোহিঙ্গারা অপরাধ করে বেড়াচ্ছে। অশান্তি সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতিতে এখন থেকে কোন ভাড়া বাসায় রোহিঙ্গা পাওয়া গেলে মামলা করা হবে। একই মামলায় আসামি করা হবে মালিককেও। আইনে অবৈধ লোকজনকে বাড়ি ভাড়া দেয়ার নিয়ম নেই। এখন থেকে উখিয়া টেকনাফের পুলিশ বিষয়টি কঠোরভাবে দেখবে। যাদের বাংলাদেশী জাতীয়তা পরিচয় পত্র নাই তাদের বাড়ি ভাড়া দেয়া অপরাধ। এটার জন্য পুলিশ কঠোর হবে। না হলে অপহরণ, চোরাচালান, মাদকের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না। এটা আমাদেরকে বন্ধ করতে হবে।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী, হ্নীলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গত, গত ২০২৩ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১১৮ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৬০ জন স্থানীয় বাসিন্দা, বাকিরা রোহিঙ্গা নাগরিক। অপহরণের পরিবারের তথ্য বলছে অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৫২ জন মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর