শিরোনাম :
কক্সবাজারে শনিবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কক্সবাজারে চাকরি মেলায় নিশ্চিত হলো ১৩২ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস : নিজ দেশে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের হাতি বাঁচলে টিকবে জীববৈচিত্র্য, বাড়বে বনাঞ্চলের সবুজায়ন ক্ষমতার জোরে গণভোটের রায়কে প্রত্যাখান করতে চায় বিএনপি: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ খুশি প্রধানমন্ত্রী চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

টেকনাফ স্থল বন্দর পরিদর্শনকালে সচিব বাণিজ্যে বন্ধ রাখা উচিত না প্রথম দরকার ওপারের শান্তি, সেটি হলে সীমান্ত আগের রূপে ফিরবে

নিউজ রুম / ১৬৩ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন

শহিদ উল্লাহ :

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থল বন্দর অচল হয়ে পড়ে আছে। মিয়ানমারের যুদ্ধ সেটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে স্থলবন্দরে বন্দরের অন্ধকার কেটে যাবে। খুব দ্রুত আলোর মুখ ফিরবে। কারণ দুই দেশে পণ্যে চাহিদা থাকায় ফের পুরোদমে সীমান্ত বাণিজ্যে পুনরায় সচল হবে। সরকার সে বিষয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
আজ সকালে  টেকনাফ সদর ইউনিয়নের কেরুনতলী টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এইচ এম শফিকুজ্জামান।
এসময় তিনি স্থলবন্দরের সাথে শ্রম আইন অধিকারের বিষয়ে শ্রমিকদের সাথে বৈঠকে বসেন।
বৈঠকে উপস্থিল ছিলেন অতিরিক্ত সচিব শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মো. সবুর হোসেন, যুগ্ম সচিব মাসুকুর রহমান, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন, বন্দরের ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন, ম্যানেজার মো. আনোয়ার হোসেন, আমদানি কারক এনামুল হাসান ও শ্রমিক নেতা আলী আজগর মাঝি প্রমুখ।
শ্রমিকদের উদ্দেশে সচিব এইচ এম শফিকুজ্জামান বলেন, এখানে অনেক সমস্যা রয়েছে। তার মধ্য পরিবহণ খাত অন্যতম। এখন পথে পথে চাঁদাবাজি, স্থানীয়ভাবে চাঁদাবাজি হচ্ছে, সেগুলো বন্ধের সময় এসেছে তাই সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে । কেননা সরকার পতনের আগে এক সরকার ছিল। এখন নতুন এক বাংলাদেশের, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কাজ করছে। আমরা চাই সকল বৈষম্য দূর হোক। এটার কারণে আমি এখানে এসেছি।
এই স্থলবন্দরে যাতে শ্রম আইন লঙ্ঘন না হয় সেদিকে সবাই সতর্ক থাকতে হবে।
এইচ এম শফিকুজ্জামান বলেন, ‘শ্রমিকরা যাতে তাদের ন্যায্য অধিকার পায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে এখানে (স্থলবন্দরে) কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় হতাহতের শিকার হন শ্রমিকরা। আমরা তাদের (শ্রমিকদের) সহায়তায় করতে চাই। সেক্ষেত্রে কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। সেগুলো ফলো করতে হবে। তবে বন্দরে বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রথম অগ্রাধিকার দিতে হবে। এদের সবার একটা ডাটাবেজ করা হবে।
তিনি বলেন, বাণিজ্যে বন্ধ রাখা উচিত না। প্রথম দরকার ওপারের শান্তি, সেটি হলে সীমান্ত আগের রূপে ফিরবে। মিয়ানমার আমাদের পার্শ্ববর্তী বিকল্প বাণিজ্যের ধার উন্মোচন হওয়া দরকার বলে আমি মনে করি।
শ্রমিক নেতা আলী আজগর মাঝি বলেন, ‘স্থলবন্দরে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেছি। বিশেষ করে স্বাস্থ্যাসেবা সহ দুঘর্টনার শিকার শ্রমিকরা সহায়তায় না পাওয়া বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বৈঠকে। পাশাপাশি শ্রম অধিকার আইন লঙ্ঘন না হয় সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
টেকনাফ স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কারক এনামুল হাসান বলেন, ‘রাখাইন সংঘাতে মংডু টাউনশিপে আরাকান আর্মির দখলের পর টেকনাফ বন্দরে পণ্যে বাহি ট্রলার আসা বন্ধ রয়েছে। মূলত সেন্টমার্টিন-টেকনাফ নৌরুটে তাদের প্রতিবন্ধকতার কারণে কোন ট্রলার আসতে পারছে না। যার কারণে ব্যবসায়ীদের লোকসানের পাশাপাশি সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর