শিরোনাম :
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শনে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তার অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল : বিভিন্ন মহলের শোক টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সবজির বাজারে অস্থিরতা ইংরেজি অলিম্পিয়াডে যুক্তরাজ্য হতে সমুদ্রকন্যা ফিরলেন মেডেল হাতে মহেশখালীর বন্যাকবলিত ৭০০ পরিবারকে সিপিজিসিবিএলের ত্রাণ সহায়তা সাতকানিয়ায় বন্যার্ত ৮৫০ মানুষকে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাদ্রাসাভবনের ওপর পাহাড় ধসে পাঁচ শিক্ষার্থী নিহত উখিয়ায় অতিবৃষ্টিতে মাটির দেয়াল ধসে দিনমজুর নিহত উখিয়ায় ড্রামে লুকানো ১ লাখ ১০ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

উত্তমের খোঁজ নেই ১০ বছরেও

নিউজ রুম / ১৪২ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন

উত্তমের খোঁজ নেই ১০ বছরেও
বিডি প্রতিবেদক রামু ।
ঘটনার ১০ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও কোনভাবে খোঁজ মিলছে না সেই উত্তম বড়ুয়ার। অথচ এ উত্তম বড়ুয়ার ফেইস বুকে শেয়ার করা হয়েছিল একটি বির্তকিত ছবি। ওই ছবির কারণে পবিত্র কোরআন শরীফ অবমাননার অভিযোগে সংঘটিত হয় রামুর তান্ডব। উত্তম বড়ুয়া কোথায় এটা যেমন জানেন না তার স্ত্রী সহ অন্যান্যরা। তেমনি জানেন না পুলিশও। তবে উত্তম রামুর ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলার প্রধান আসামী। ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রামুতে সংঘটিত ঘটনার পর থেকে এ উত্তম নিখোঁজ থাকার কারণে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন তার স্ত্রী রিতা বড়ুয়া।
তিনি জানিয়েছেন, তার ছেলে আদিত্য বড়ুয়াকে নিয়ে তিনি চরম অসহায় দিন যাপন করছেন। ঘটনার পর থেকে স্বামী সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।
জানা যায়, উত্তম বড়ুয়া রামু সদরের চেরাংঘাটা গ্রামের সুদত্ত বড়ুয়ার ছেলে। তিনি রামু সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখক ছিলেন। তার স্ত্রী রিতা বড়ুয়া ও ছেলে আদিত্য বড়ুয়া বর্তমানে নিজ পিতার বাড়িতে থাকেন।
উত্তমের শাশুড়ি বাসু বড়ুয়া জানিয়েছেন, মেয়ে এবং নাতিকে নিয়ে ভোগান্তিতে রয়েছেন। তিনি উত্তমকে যেকোনভাবে ফেরত আনার দাবি জানিয়েছেন।
উত্তমের সামাজিক নিরাপত্তা ও তার সন্তানের জন্য মানবিক সহায়তা চেয়েছেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি (যুব) এর সভাপতি সুরেশ বড়ুয়া। তিনি জানান, উত্তমকে ফেরত আনা জরুরী।
উত্তমের বাবা সুদত্ত বড়ুয়া বলেন,আমরা এখনো ছেলের অপেক্ষায় রয়েছি।
রামু রাইটাস ক্লাবের উপদেষ্টা দর্পন বড়ুয়া জানান, সামাজিকভাবে উত্তম এর পরিবারকে বেঁচে রাখা জরুরী। ঘটনার জন্য উত্তম দায়ী না দায়ী নন এটার বিচার করবে আদালত। তবে অবুঝ সন্তানটি জেনে বেঁচে থাকেন।
আর উত্তমের ছেলে আদিত্যকে তার পিতা কোথায় জানতে চাওয়া হলে সে এতটুকুই কেবল বলেছে ‘বাবাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে।’
কিন্তু পুলিশ জানেন না উত্তম কোথায়।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর