এ রহমান মুকুল পঞ্চগড় :
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহলে প্রতিষ্ঠিত দৈখাতা নাজিরগঞ্জ উ”চ
বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্তির ঘোষণার পর প্রতিষ্ঠানটির ৭ বছর চাকরি করে আসা
পুরনো ৫ জন শিক্ষককে বাদ দিয়ে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে
প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। জনপ্রতি ৮ থেকে ১০ লাখ
টাকা করে নিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন আলাল ও প্রধান শিক্ষক
মোজাহেদুল ইসলাম গোপনে মাধ্যমিক ও উ”চ শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন নিয়োগকৃত
শিক্ষকদের তালিকা প্রেরণ করেছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা।
বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন
ভুক্তভোগী শিক্ষকরা। তারা জানান, বিলুপ্ত ছিটমহলে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত
হওয়ার পর কেউ এগিয়ে না এলেও তারা মোটা অঙ্কের ডোনেশন দিয়ে বিদ্যালয়টি
পরিচালনা করে আসছিলেন। তাদের পরিশ্রমে বিদ্যালয়টি খুব অল্প সময়েই
এমপিওভুক্ত হয়। গত বছর এমপিওভুক্ত ঘোষণার পর শুরু হয় ষড়যন্ত্র। গোপনে
বিদ্যালয়ের সভাপতি আর প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ত্যাগী ও পরিশ্রমী শিক্ষক
রাসেল হোসেন, গোকুল চন্দ্র রায়, আয়েশা খাতুন, শাহনাজ পারভীন ও মজিবুল
ইসলামকে বাদ দিয়ে রাতারাতি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ
দিয়ে তাদের নামের তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে অধিদপ্তরে। দীর্ঘদিন শ্রম দিয়ে
আসা শিক্ষককে এমন অমানবিকভাবে বাদ দেয়ায় শিক্ষক শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের
মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা সভাপতি ও প্রধান
শিক্ষককের অনিয়ম তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। তবে অভিযোগ
অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক মোজাহেদুল ইসলাম বলেন, নিবন্ধন না থাকায়
তাদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে।