শিরোনাম :
নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া

নবর্বষ ও হালখাতা

নিউজ রুম / ১ বার পড়ছে
আপলোড : শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন

কল্লোল দে ##

“হালখাতার” প্রস্তুতি নয়িে ব্যস্ত সময় পার করছনে ব্যবসায়ীরা। প্রাপ্য টাকা আদায়রে জন্য মষ্টিি ভাষায় লখো চঠিি নয়িে দৌড়াচ্ছনে পাওনাদররে কাছ।ে আবার ওই ব্যবসায়ীকে দনো পরশিোধ করার জন্য চঠিি দচ্ছিে পাওনাদার। এভাবইে সকল হসিাব-নকিাশ সম্পন্ন করে নতুন হসিাব নকিাশরে খাতা তরৈি করে লনেদনে সম্পন্ন করতে ব্যস্ত সময় পার করছে ব্যবসা প্রতষ্ঠিানরে মালকি-র্কমর্কতা-র্কমচারীরা।
বাংলা নবর্বষরে উৎসব বা আনুষ্ঠানকিতার মধ্যে ‘হালখাতা’- অন্যতম। পুরাতন বছররে সকল দনো পাওনা পরশিোধ করে পুরাতন বছররে হসিাবরে খাতা বন্ধ করে নতুন বছররে হসিাবরে খাতা খোলার জন্য বাংলা বছররে প্রথম দকিে ‘হালখাতা’ উৎসব উদ্যাপন করা হয়।
হসিাবখাতা হালনাগাদ করা থকেে ‘হালখাতার’ প্রচলন। এদনি ব্যবসায়ীরা তাদরে কাষ্টমারদরে নমিন্ত্রণ জানয়িে পুরানো পাওনা পরশিোধরে কথা জানয়িে দনে। কাষ্টমাররাও এদনি মষ্টিমিূখ করে থাকনে। এর ফলে হালখাতার মাধ্যমে ব্যবসায়ী কাষ্টমারদরে মধ্যে সু-সর্ম্পক তরৈি হয়। জানা গছে,ে এই সময়-সকল বকয়ো পরশিোধে কাষ্টমারদরে চঠিরি মাধ্যমে তাগাদা দয়ো হয়। হসিাব নকিাশ সম্পন্ন করে নতুন খাতা খুলনে। যারা বা যসেব প্রতষ্টিান বকয়ো টাকা পায় তারাও চঠিি পাঠান। যদওি হালখাতা উৎসবে আগরে মত উৎসাহ-উদ্দীপনা নইে। তবুও অনকে পুরানো ব্যবসায়ী হালখাতার ধারাবাহকিতা রক্ষা করে চলছেনে।
ইতহিাস মত,ে আনুমনকি ১৫৮৪ খ্রষ্টিাব্দরে ১০ ও ১১ র্মাচ থকেে বাংলা সনরে গণনা শুরু হয়। সম্রাট আকবররে সময়ে এই গণনা পদ্ধতি প্রচলতি হয় এবং সে সময় এই পদ্ধতরি নাম ছলি ফসলি সন। পরর্বতীতে এটকিে বাংলা সন নামে নামকরণ করা হয় এবং সইে থকেইে পহলো বশৈাখ উযাপন শুরু হয়। তখন খাজনা, মাশুল, শুল্ক পরশিোধ করা হতো চত্রৈ মাসরে শষে দনি।ে জমরি মালকিগণ সকল খাজনা, মাশুল শুল্ক গ্রহণ করতনে। একটি খাতায় সকল খাজনা, মাসুল ও শুল্ক পরশিোধকারীদরে নাম লখিে রাখা হতো। সইে খাতাতইে হালনাগত হসিাবে তুলে রাখা হতো। আজকরে আধুনকি ‘হালখাতা’ সকোলরে সইে খাজনা, শুল্ক ও কর পরশিোধকারীদরে নাম লখিে রাখার খাতার র্বতমান সংস্করণ। সইে সময় জমরি মালকিরো এ দনিে কৃষকদরে মষ্টিি মুখ করাতনে যা র্বতমানওে প্রচলতি রয়ছে।

লেখেক :- কলামিষ্ট। সভাপতি ছায়ানীড়।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর