শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি কক্সবাজারের মহেশখালীর মানুষের মুখে হাসি ফুটালো আইএসডিই বাংলাদেশ সড়কের আশপাশে পশুর হাট বসলে আইনি ব্যবস্থা -এমপি কাজল চকরিয়ায় বি.এম চর ইউনিয়নে ১৫শ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল আইএসডিই বাংলাদেশ

একটি সুন্দর দেশের জন্য পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ জরুরী

নিউজ রুম / ১৪২ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন

নুরুল আলম :
বাস্তবায়ন করি অঙ্গীকার, জীববৈচিত্র হবে পুনরুদ্ধার, এই শ্লোগানে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস পালিত হয়েছে। বন অধিদপ্তর, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন কক্সবাজার উত্তর ও দক্ষিণ বন বিভাগ যৌথভাবে এ দিবসটি পালন করে। এ উপলক্ষে সোমবার সকালে কক্সবাজারের বনভবন থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালী টি  শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে  বন ভবনের এসে শেষ হয়। পরে বন বিভাগের সম্মেলন কক্ষে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন সরকারের সভাপতি অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের জীববৈচিত্র সংরক্ষণ কর্মকর্তা মিস ইসরাত ফাতেমা।কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের জীববৈচিত্র সংরক্ষণ কর্মকর্তা্ ইসমত আরা নুরের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপ পরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নেকমের ইকো লাইফ প্রকল্পের উপ প্রকল্প পরিচালক ড. শফিকুর রহমান।সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ সারওয়ার আলম বলেন,আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস  ১৯৯৩ সালের শেষ দিকে পালনের জন্য ২৯ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশে এই দিবস পালন বন্ধ করে দিলে ২০০২ সালের ২২ মে পালনের জন্য দিবসটি পুনঃনির্ধারণ করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীব বৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ সেল ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন করেন।সভায় জীববৈচিত্র্য রক্ষায় উপস্থিত সকলকে নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য টেকসই  বনব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করণের লক্ষে বাসযোগ্য শহর গড়তে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন,ইতোমধ্যে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আমরা বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতন করা হচ্ছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উদ্ভিদ, প্রাণী, প্রকৃতি নদী পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে  জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অংশীদার হতে পারবো। আমরা সকলেই যদি নিজ জায়গা থেকে সজাগ ও সতর্ক থেকে বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করতে পারি তাহলে আমরা আমাদের কাঙ্খিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে পৌঁছতে সক্ষম হবো। 
বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষণ মোঃ আনিসুর রহমান, দ্যা ডেইলি স্টারের সিনিয়র রিপোর্টার মোহাম্মদ আলী জিন্নাত, প্রকৃতিও জীবন ফাউন্ডেশন এর কক্সবাজারের আহ্বায়ক চ্যানেল আই এর রিপোর্টার সরওয়ার আজম মানিক, দৈনিক বাঁকখালী পত্রিকার চিফ রিপোর্টার আবু সায়েম,মেহেরগুনা রেঞ্জ কর্মকর্তা রিয়াজ রহমান। আলোচনা সভায় বক্তারা, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি পরিবেশ বান্ধব সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের আহ্বান জানান।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর