শিরোনাম :
কক্সবাজারে নয়ন সাধু নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা সেই ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে মুক্ত টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার রামুতে সাড়ে ২৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘আধিপত্য বিস্তারকে’ কেন্দ্র করে সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরসা ও আরএসও’র মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন নিহত

নিউজ রুম / ১১৫ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন

রুমি বড়ুয়া :
কক্সবাজারে উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘আধিপত্য বিস্তারকে’ কেন্দ্র করে সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরসা ও আরএসও’র মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩ টায় উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-২ ব্লকের ২ নম্বর পাহাড়ের সামনে খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হল, উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ২-ইস্ট নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকের মৃত গফুর আহমদের ছেলে নুর মোহাম্মদ (১৭) এবং বালুখালী ৭ নম্বর ক্যাম্পের সি-৬ ব্লকের আহমেদ হোসেনের ছেলে শামসু আলম (২৩)।
স্থানীয়দের বরাতে শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-২ ব্লকের ২ নম্বর পাহাড়ের সামনে খেলার মাঠে আরসা ও আরএসও’র ২০/৩০ জন সন্ত্রাসী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে আধা-ঘন্টার বেশী থেমে থেমে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
“ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে নুর মোহাম্মদ নামের এক সন্ত্রাসীর মৃত্যু হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয় শামসু আলম নামের আরেক সন্ত্রাসী। “
ওসি বলেন, “ খবর পেয়ে এপিবিএন পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে একজনকে মৃত অবস্থায় এবং আহত অবস্থায় একজনকে পাওয়া যায়। এরপর আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। “
শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, প্রাথমিকভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গাদের দুই সন্ত্রাসী গোষ্টির মধ্যে সংঘর্ষে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। তারপরও কারা, কি কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে এ ব্যাপারে পুলিশ খোঁজ খবর নিচ্ছে।
নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর