শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সাড়ায় স্থানীয় এনজিও বঞ্চিত, এক সংস্থার ৩৪ প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা

ভাই-ভাবী’র হাতে ভাই খুন

নিউজ রুম / ১৪৮ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজার শহরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শওকত আলম (৩৫) কে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করছে তার আপন বড় ভাই ও ভাবী।
শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১১ টায় পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের টেকনাইফ্যা পাহাড়ে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শওকত একই এলাকার মৃত আব্দুল হামিদ প্রকাশ বইল্ল্যা মিস্ত্রীর ছেলে। এই ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন নিহতের বড় ভাই আব্দুল মালেক ও তার স্ত্রী গুলজার বেগম।
এলাকাবাসীর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, নিহত ও অভিযুক্তের বসতভিটা পাশাপাশি। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সীমানা নিয়ে বিবাদ চলছিল। একারণে কিছুদিন আগে শওকতের শিশু টেলিভিশন দেখতে মালেকের বাড়ি গেলে তাকে বের  করে দেয় মালেকের স্ত্রী। বিষয়টি জানতে পেরে নিহত শওকত বড় ভাই মালেকের টেলিভিশন ভেঙ্গে ফেলে। তখন থেকেই দু পরিবারের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিল। বৃহস্পতিবার রাতে ফের টেলিভিশন নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে মালেকের স্ত্রী ঘর থেকে দা নিয়ে এসে শওকত কোপ দেয়। তখন শওকত মাটিতে লুটিয়ে পড়লে বড় ভাই মালেক ও এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এসময় গ্রামবাসী এগিয়ে আসলে মালেক পালিয়ে যায়। পরে শওকতকে প্রথমে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে চমেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী আরো জানিয়েছে, হামলার পর পুলিশ ও র‌্যাবের আলাদা দুটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। এর মধ্যে র‌্যাব অভিযুক্ত গুলজার বেগমকে জিম্মায় নেয়।
এবিষয়ে র‌্যাব ১৫ এর কক্সবাজার ক্যাম্প ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন  কোন মন্তব্য করতে রাজ হননি। তবে কোন কিছু থাকলে পরে তা গনমাধ্যমকে জানানো হবে বলে তিনি অবহিত করেছেন।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া ঘাতকদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর