শিরোনাম :
কক্সবাজারে নয়ন সাধু নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা সেই ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে মুক্ত টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার রামুতে সাড়ে ২৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি

উন্নয়নের প্রভাবে এগিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীরা

নিউজ রুম / ১৯৬ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন

নেছার আহমদ :

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজারে লেগেছে উন্নয়নের জোয়ার। প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ে ছোটো বড় ৯৮টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন চলছে কক্সবাজার জেলায়। যার মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ২৩টি প্রকল্প। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের কারনেই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজারের ৪টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত ও সমর্থীত প্রার্থী প্রচারনায় সুবিধার পাশাপাশি জয়ের ব্যাপারে এগিয়ে রয়েছে বলে জানান সাধারণ ভোটাররা। ৪টি আসনের সংসদ সদস্যরা নিজেদের ব্যক্তি ইমেজের চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কারনে সাধারণ ভোটারদের সাড়া পাচ্ছেন বলে মন্তব্য নানা শ্রেণির মানুষের। তবে জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা ভোটারদের তেমন সাড়া না পেয়ে পিছিয়ে থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতারাই মুল প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, আগামি ৭ জানুয়ারি অনুষ্টিতব্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজারের ৪টি সংসদীয় আসনে দলীয় ও স্বতন্ত্রসহ ২৬ জন প্রার্থী রয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) সংসদীয় আসনে ৭ জন, কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) সংসদীয় আসনে ৬ জন, কক্সবাজার-৩ (কক্সবাজার সদর-রামু-ঈদগাঁও) সংসদীয় আসনে ৬ জন ও কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) সংসদীয় আসনে ৭ জন প্রার্থী রয়েছেন।
কক্সবাজারের ৪ টি সংসদীয় আসনে উৎসব মূখর প্রচারণা চলছে। প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকেই প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীরা স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা করে যাচ্ছেন। কক্সবাজারের ৪ টি সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনে ২৬ জন প্রার্থী মাঠে নেমেছেন স্ব স্ব প্রতীক নিয়ে। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত প্রার্থীদের প্রচারণা চলছে। নির্বাচন নিয়ে লোকজনের মধ্যেও চলছে আলাপ-আলোচনা। প্রার্থীরা হাটে বাজারে ও ষ্টেশনে গিয়ে ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করার পাশাপাশি চলছে মিছিল, পথ সভা ও জনসভা।
জেলার ৪টি আসনের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিন গিয়ে সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,  দোহাজারি থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল লাইন, আইকনিক রেল স্টেশন, মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, রামুর বিকেএসপি প্রশিক্ষন কেন্দ্র, রামুর পেচারদ্বীপে জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনষ্টিটিউট, সাগরতীরে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দ্বীর্ঘতম মেরিনড্রাইভ সড়ক, মহেশখালীতে এসপিএম প্রকল্প, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ, সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে কুতুবদিয়া দ্বীপকে জাতীয় গ্রীডে সংযুক্তকরণ, উখিয়ার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, পর্যটন শহরের সড়ক উপসড়ক নির্মান, টেকনাফে এক্সক্লোসিভ ট্যুরিস্ট জোন, বাঁকখালী নদীর উপর নির্মিত খুরুশকুল সেতু, চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন, খুরুশকুলের জলবায়ু উদ্বাস্ত ৪হাজার ৪শ ৯পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পে ১৩৯টি ভবণ নির্মাণ, খুরুশকুলে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মান, জেলার অভ্যন্তরিন সড়ক ও ব্রিজ নির্মান, মহেশখালীর গোরকঘাটা-শাপলাপুরের জনতাবাজার সড়কসহ ব্যাপক উন্নয়নের কারনে আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পজিটিভ প্রভাব পড়ছে এতে কোন সন্দেহ নেই। স্বপ্রনোদিত হয়ে নৌকায় ভোট দিয়ে আবারো আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় নেয়ার পক্ষেই থাকবে কক্সবাজারের সাধারণ মানুষ এমনটাই জানান সচেতন ভোটার ও বিজ্ঞজনেরা।
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) সংসদীয় আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী ৭ প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বাংলাদেশ কল্যান পার্টির সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম (হাতঘড়ি), বর্তমান সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর আলম (ট্রাক), জাতীয় পার্টির হোসনে আরা (লাঙ্গল), ওয়ার্কার্স পার্টির আবু মোহাম্মদ বশিরুল আলম (হাতুড়ি), ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন (মোমবাতি), স্বতন্ত্র প্রার্থী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী তুহিন (ঈগল) ও কামরুদ্দিন আরমান (কলার ছড়ি)। এ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কোন প্রার্থী নেই। বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলম এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি। এ আসন থেকে সালাউদ্দিন আহমেদ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেও ঋণ খেলাপির কারনে প্রার্থীতা বাতিল হন। এরপর কল্যান পার্টির হাতঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমকে আওয়ামী লীগ আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দেন। এই আসনে কল্যান পার্টির সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান এমপি জাফর আলমের মুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান এমপি জাফর আলমকে পিছিয়ে ফেলে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের সহযোগিতায় হাতঘড়ি প্রতীকের কল্যান পার্টির সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম নির্বাচনী দৌড়ে অনেকদুর এগিয়ে গেছেন বলে ধারণা সাধারণ ভোটারদের। স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান এমপি জাফর আলমকে চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদবী সহ দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) সংসদীয় আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী ৬ প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনিত বর্তমান সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক (নৌকা), বিএনএম এর শরীফ বাদশাহ (নোঙ্গর), ইসলামী ঐক্য জোটের মোহাম্মদ ইউনুস (মিনার), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান (চেয়ার), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি বিএসপির মোহাম্মদ খায়রুল আমীন (একতারা), এনপিপির মাহবুবুল আলম (আম)। এই আসনে নৌকা প্রতীকের আশেক উল্লাহ রফিকের সাথে নোঙ্গর প্রতীকের শরীফ বাদশার সাথে মুল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেতা শরীফ বাদশা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে মহেশখালী উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। তিনি মনোনয়ন না পেয়ে বিএনএম এর নোঙ্গর প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। ২ বারের এমপি নৌকা প্রতীকের আশেক উল্লাহ রফিক নির্বাচনী দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে জানান সাধারণ ভোটাররা।
কক্সবাজার-৩ (সদর, রামু ও ঈদগাঁও) সংসদীয় আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী ৬ প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনিত বর্তমান সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ (ঈগল), জাতীয় পার্টির এডভোকেট মোহাম্মদ তারেক (লাঙ্গল), বাংলাদেশ কল্যান পার্টির মহাসচিব আব্দুল আওয়াল মামুন (হাতঘড়ি), ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির শামীম আহসান ভুলু (কুড়েঘর), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইব্রাহিম (টেলিভিশন)। এই আসনে নৌকা প্রতীকের সাইমুম সরওয়ার কমলের সাথে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ নেতা ব্যারিস্টার মিজান সাঈদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। মিজান সাঈদ নতুন প্রার্থী এবং রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগতভাবেও তেমন পরিচিত নন। সব মিলিয়ে ২ বারের এমপি নৌকা প্রতীকের সাইমুম সরওয়ার কমল নির্বাচনী দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে জানান সাধারণ ভোটাররা।
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) সংসদীয় আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী ৭ প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য শাহীন আক্তার (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল বশর (ঈগল), জাতীয় পার্টির নুরুল আমিন ভুট্টো (লাঙ্গল), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ফরিদুল আলম (আম), তৃনমুল বিএনপির মুজিবুল হক মুজিব (সোনালী আঁশ), ইসলামী ঐক্যজোটের মোহাম্মদ ওসমান গনি চৌধুরী (মিনার), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোহাম্মদ ইসমাইল (ডাব)। এই আসনে নৌকা প্রতীকের শাহীন আক্তারের সাথে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল বশরের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। বর্তমান এমপি নৌকা প্রতীকের শাহীন আক্তার সাবেক ২ বারের সংসদ সদস্য বহু আলোচিত সমালোচিত আবদুর রহমান বদির স্ত্রী। যদিওবা উখিয়া-টেকনাফের সাধারণ ভোটারদের মাঝে আবদুর রহমান বদির জনপ্রিয়তা রয়েছে। শাহীন আক্তারও উখিয়ার স্বনামধন্য রাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে। সব মিলিয়ে নৌকা প্রতীকের শাহীন আক্তার নির্বাচনী দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে জানান সাধারণ ভোটাররা।
কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর ২৯ প্রকল্পের উদ্বোধনের এগারো মাসের মাথায় ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর কক্সবাজারে প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫ টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৪ টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দৃশ্যমান এসব প্রকল্পের কারনে বদলে যাচ্ছে কক্সবাজার। উন্নয়নে বদলে যাওয়া কক্সবাজার দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। যার কারনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজারের ৪টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত ও সমর্থীত প্রার্থীকেই সাধারণ ভোটাররা ভোট দিবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড: সিরাজুল মোস্তফা জানান, গেলো ১৫ বছরে ১২ বার কক্সবাজার সফরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রয়াসে সাড়ে তিন লক্ষ কোটি টাকার ৯৮ টি প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে কক্সবাজার বদলে গেছে। কক্সবাজারকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। সুফল পাচ্ছে কক্সবাজারের মানুষ। তাই কক্সবাজারের ৪টি আসনেই আওয়ামী লীগ মনোনিত ও সমর্থিত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় নিতে অধির আগ্রহে রয়েছে ভোটাররা।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শাহীন ইমরান জানান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। কোন প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করলে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। নির্বাচনী পরিবেশ অবাধ ও সুষ্টু করতে সকল ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
জেলা নির্বাচন অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, জেলার মোট ভোটার ১৬ লাখ ৫০ হাজার ৯৬০ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৭ লাখ ৭৭ হাজার ৪৭৮ জন ও পুরুষ ভোটার ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮০ জন। আর তৃত্বীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ২ জন। জেলায় মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৫৫৬টি ও ভোট কক্ষের সংখ্যা ৩৫০৭টি।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজারে ভোটার ছিল ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ২০৪ জন। সে হিসাবে নতুন ভোটার বৃদ্ধি পেয়েছে ২ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫৬ জন। বিশাল সংখ্যক নতুন এ ভোটাররা এবারের নির্বাচনে উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়ে প্রার্থীদের জয় পরাজয়ে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।
##


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর