শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

কৈয়ারবিল ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে নারী উদ্যোক্তাকে যৌন হয়রানি অভিযোগ

নিউজ রুম / ১৬৯ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ন

জিয়াউল হক জিয়া :

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউপি সচিব নুরুল আলমের বিরুদ্ধে নারী উদ্যোক্তাকে যৌন হয়রানি সহ চাকুরীচ্যুত চেষ্টা করার অভিযোগ পত্রটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মহোদয় বরাবরে দায়ের করেন নারী উদ্যোক্তা উম্মে কুলছুম।
গত মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে অভিযোগটি আইনানুগ ব্যবস্থার্থে দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা উত্তাপন করা হলো-নারী উদ্যোক্তা উম্মে কুলছুম ২০১০ সালে উক্ত পরিষদে যোগদান করেন।তখন থেকে সফলতার সাথে সেবাগ্রহীতাকে যথাসময়ে সেবা দিয়ে আসছেন।এমতাবস্থায় ইউপি সচিব নুরুল আলম যোগদান করেন।পরে তিনি বিভিন্ন ভাবে আমাকে অনৈতিক শারিরীক মিলনের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠে।পরে আমি প্রস্তাব প্রত্যাখান করি।তারপর বিষয়টি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শরিফ উদ্দিন চৌধুরী,সাবেক ৬নং ওয়ার্ডের এমইউপি মোঃ জহিরুল ইসলাম ও প্যানেল চেয়ারম্যান-১ ইলিয়াস সাঈদীকে আমার বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ করি।অভিযোগের ফলে ক্ষীপ্ত হয়ে,প্রোপাগান্ডা মূলক আমার বিরুদ্ধে সহকারী কমিশনার (ভূমি) চকরিয়াকে অভিযোগ করেন।মূলত এলাকার জনগণ উদ্যোক্তার কাছে জাতীয়তা সনদ,ওয়ারিশ সনদ,পারিবারিক সনদ,প্রত্যায়ন,জন্মনিবন্ধন সনদ উত্তোলনের জন্য আসেন।তখন আমরা প্রতিটি সনদের আবেদনে স্ব-স্ব ওয়ার্ডের এমইউপি ও চেয়ারম্যানের দায়িত্বরতের স্বাক্ষর আনতে বলি।এভাবে আবেদন জমা রেখে সনদ প্রিন্ট করি।পরে আমরা উদ্যোক্তার স্বাক্ষর করে,চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর নিয়ে ডেলিভারি দিয়ে থাকি।তবে সনদ নিতে না আসা কিছু মানুষের সনদ এখনো সংরক্ষিত আছে।রক্ষিত সনদে আমি পূর্বের তারিখে বর্তমানে প্রিন্ট করে রেখেছি।
ইউপি সচিবের পরামর্শ ও মৌখিক নির্দেশনা মতে এনালগ সনদগুলো প্যানেল চেয়ারম্যান-১ এর মাধ্যমে স্বাক্ষর করিয়ে সেবাপ্রাপ্তিদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।তবে দুই ধাপে চেয়ারম্যানের দায়িত্বে প্রশাসনিক দায়িত্ব পরিবর্তনে সনদ প্রদানে সময় বিলম্ব হয়েছে।অভিযুক্ত সচিবের দেওয়া অভিযোগের ফায়সালা না হওয়ার পূর্বে উদ্যোক্তার বরাদ্দকৃত রুম তদন্তহীন যাবতীয় মালামাল সরিয়ে ফেলেন ইউপি সচিব।পরবর্তীতে নাগরিক সেবায় প্রতিদিনের মতো আমি গেলে অভিযুক্ত সচিব আমাকে অফিসে ডুকতে না দিয়ে ভুমি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে।পরে মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করিলেও কোন প্রতিকার পাইনি।বিধায় সুষ্ঠু,নিরপেক্ষ তদন্তে ফায়সালা প্রদানের মাধ্যমে পুনরায় কাজে বহাল থাকতে আবেদন করি।এছাড়া আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলের ক্ষমা চাচ্ছি বলে উল্লেখ করেন উদ্যোক্তা।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর