শিরোনাম :
ক্ষমতার জোরে গণভোটের রায়কে প্রত্যাখান করতে চায় বিএনপি: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ খুশি প্রধানমন্ত্রী চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি

ডুলাহাজারা সার্ফারি পার্কের বন্যপ্রাণী ডাক্তারের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলায় বিভিন্ন প্রাণী মৃত্যুর অভিযোগ

নিউজ রুম / ৯০ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টারঃ
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নস্হ সাফারি পার্কের বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির সিংহ, হাতি, নীলগাই, ময়ূরসহ অসংখ্য বন্যপ্রাণী একের পর এক মারা যাচ্ছে।বন্যপ্রাণী রোগাক্রান্ত হলেও,পার্কে দায়িত্বরত ভেটেরিনারি ডাক্তার পশুর রোগ নির্ণয় করতে হওয়ায়,তার বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, বিগত ২০২১ সালে হাতেম সাজ্জাত মো: জুলকার নাইন যথাযথ দায়িত্ব পালন না করায় গাজীপুর সাফারি পার্কের ১১টি জেব্রা মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। এ ঘটনার পর তাকে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে বদলি করা হয়। তাঁর যোগদানের পর থেকে এখানেও দায়িত্বে অবহেলা ও সঠিক রোগ নির্ণয়ে ব্যর্থতায় মারা যাচ্ছে বহু সংখ্যক বন্যপ্রাণী।
পার্কে বন্যপ্রাণী মারা যাওয়ার কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ করে চকরিয়ার একজন সংক্ষুব্ধ সচেতন ব্যক্তি পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, বন অধিদপ্তরের প্রধান বনসংরক্ষক এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বনসংরক্ষক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে উত্তাপন করেন-বিগত ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে প্রাপ্তবয়স্ক ২৪টি ময়ূর মারা গেছে। চলতি বছরের মে মাসে মাতৃহীন হাতি শাবক মারা যান।এঘটনার ঠিক ২৪ দিনের মাথায় বিরল প্রজাতির নীলগাই মারা যায়। গত ১১মে স্ত্রী প্রজাতির নীলগাই পঞ্চগড় থেকে উদ্ধার করে ১৫মে ডুলাহাজারা সাফারী পার্কে আনা হয়েছিল। উদ্ধারকৃত এই বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণীটির মারা যান। এর আগে দুটি উটপাখি, ২টি সিংহ, (ডাক নাম- টুম্পা ও সোহেল), ২ টি হাতি (ডাক নাম- রংমালা বয়স-৮৬, সৈকত বাহাদুর, বয়স ৩৫) থেকে শুরু করে আরো বিভিন্ন প্রজাতির রক্ষিত ও উদ্ধারকৃত অসংখ্য বন্যপ্রাণী মারা যায়।এসব প্রাণী মারা যাওয়ার পেছনের কারণ,ডাক্তারের দায়িত্ব অবহেলা আর পরিচর্যার গাফিলতি।
এবিষয়ে সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি ডাঃ হাতেম সাজ্জাদ জুলকারনাইন দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মানুষ আর সকল প্রাণীর নিশ্চিত মৃত্যুর বরণ করবে,করছেন।মৃত্যুর বিষয়টি কেউ ঠেকাতে পারবেন না।কেবল ডাক্তার রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে চিকিৎসা কষ্ট দূর করতে সক্ষম হয়। তবে রোগের স্হায়ীত্ব হলে বাঁচানো সম্ভব নয়।
চট্টগ্রামের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ডিএফও আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াছিন নেওয়াজ বলেন-ডুলাহাজারা সার্ফারি পার্কের দায়িত্বরত ভেটেরিনারি ডাক্তার জুলকারনাইন এর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেছেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর