শিরোনাম :
ক্ষমতার জোরে গণভোটের রায়কে প্রত্যাখান করতে চায় বিএনপি: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ খুশি প্রধানমন্ত্রী চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি

বাঁকখালী নদীর তীর ফের দখল

নিউজ রুম / ৭৬ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর তীরের কস্তুরাঘাট এলাকায় উচ্ছেদ হওয়া জমিতে আবারও ঘর তৈরি করে দখলের অভিযোগ উঠেছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের রাত থেকেই শুরু হয় এই দখল কার্যক্রম। গত ৫ দিনে সেখানে টিন দিয়ে তৈরি হয়েছে অন্তত ৩০টি ঘর।

এই দখল কার্যক্রম বন্ধ করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ১৫টি দফতরে চিঠি দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।

কক্সবাজার (কস্তুরাঘাট) নদী বন্দরের পোর্ট অফিসার মো. আব্দুল ওয়াকিল স্বাক্ষরিত চিঠি যে ১৫ দফতরে পাঠানো হয়েছে তা হলো: নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিআইডব্লিউটিএ শাখার সচিব, বিআইডব্লিউটিএ এর প্রশাসন ও পরিবহন বিভাগের পরিচালক, বিআইডব্লিউটিএ এর বন্দর ও পরিবহন বিভাগের পরিচালক, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার, কক্সবাজারের পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের একান্ত সচিব, বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি এর পিএস, কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (প্রশাসন), কক্সবাজার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যানের সমন্বয় কর্মকর্তা, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারী এবং বিআইডব্লিউটি এর পরিকল্পনার ও পরিচালনা সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কক্সবাজার (কস্তুরাঘাট) নদী বন্দরের সীমানাধীন বাঁকখালী নদী এবং নদীর তীরভূমিতে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক জেলা প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই সময় অবৈধ দখলে থাকা নদী এবং নদীর তীর ভূমির ৬৩ একর জায়গা উদ্ধার করা হয় এবং ৪৯৬টি কাঁচা-পাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

এরপর নদী বন্দরের সীমানা চিহ্নিত করে পিলার স্থাপন করতে তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি), কক্সবাজারের নেতৃত্বে উক্ত বন্দরের যৌথ জরিপ করা হয়। কিন্তু সীমানা পিলার স্থাপনকালে সরকারি কাজে বাধা প্রদান করা হলে বিআইডব্লিউটিএ এর পক্ষে তিনটি এবং পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মোট চারটি মামলা হয়েছে। যেখানে এজাহারে ৪০ জনসহ অজ্ঞাতনামা ১৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে আবারও দখল শুরু হয়েছে। এটা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

কক্সবাজার (কস্তুরাঘাট) নদী বন্দরের পোর্ট অফিসার মো. আব্দুল ওয়াকিল চিঠি পাঠানো এবং আবারও দখল শুরু হওয়ার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আগে যাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে তারাই আবার এই দখল কার্যক্রম করে যাচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর