শিরোনাম :
কোটা আন্দোলন : কক্সবাজারে আওয়ামীলীগ, জাসদ, জাতীয় পার্টির কার্যালয়, মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাংচুর; ছাত্রলীগ ৪ নেতাকে মারধর কক্সবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বিক্ষোভ মিছিল চট্টগ্রামে কোটা আন্দোলনে সংর্ঘষে নিহত ছাত্র আকরামের বাড়ী কক্সবাজারের পেকুয়ায় পেকুয়ায় দূর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ক কর্মশালা ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার পর্যটন শহরেও উত্তাপ ছড়ালো কোটা আন্দোলনকারীরা উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব ১৫ জুলাই টেকনাফে জেন্ডার ও বিরোধ সংবেদনশীল সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ মিয়ানমারের বিকট শব্দে আতংকে টেকনাফবাসী টেকনাফে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন

মিয়ানমারের কোন নাগরিককে আর বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজ রুম / ৪ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১০:৪১ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.এ কে আব্দুল মোমেন এমপি বলেছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ চলমান সংঘাতের জেরে সে দেশের আর কোনো নাগরিককে বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না।শনিবার সন্ধ্যায় সিলেটের লাক্কতুরা চা বাগানে চা-শ্রমিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠান শেষ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমারে বিভিন্ন সশ্বস্ত্র গোষ্ঠি সংঘাতে জড়িয়েছে। সে দেশে এখন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অত্যাচারিত লোকজনকে ওই এলাকা সরে যেতে বলা হয়েছে। ফলে ভয় হয়, নিপীড়িতরা হয়তো আমাদের দেশের দিকে আসতে শুরু করবে। তবে জানতে পারেছি- তারা অন্যদিকে যাচ্ছে। তবুও আমরা আমাদের সীমান্তে সতর্কতামূলক অবস্থা গ্রহণ করেছি। সীমান্ত দিয়ে সে দেশ থেকে আর কাউকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। মিয়ানমারের লোক আমাদের দেশে আসতে না আসতে পারে সে বিষয়ে বাংলাদেশে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবিকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.এ কে আব্দুল মোমেন এমপি বলেছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ চলমান সংঘাতের জেরে সে দেশের আর কোনো নাগরিককে বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
শনিবার সন্ধ্যায় সিলেটের লাক্কতুরা চা বাগানে চা-শ্রমিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠান শেষ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমারে বিভিন্ন সশ্বস্ত্র গোষ্ঠি সংঘাতে জড়িয়েছে। সে দেশে এখন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অত্যাচারিত লোকজনকে ওই এলাকা সরে যেতে বলা হয়েছে। ফলে ভয় হয়, নিপীড়িতরা হয়তো আমাদের দেশের দিকে আসতে শুরু করবে। তবে জানতে পারেছি- তারা অন্যদিকে যাচ্ছে। তবুও আমরা আমাদের সীমান্তে সতর্কতামূলক অবস্থা গ্রহণ করেছি। সীমান্ত দিয়ে সে দেশ থেকে আর কাউকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। মিয়ানমারের লোক আমাদের দেশে আসতে না আসতে পারে সে বিষয়ে বাংলাদেশে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবিকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছ।
দ্বিতীয় দফায় শনিবার মিয়ানমারের যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া দুটি গোলা বান্দরবান সীমান্তবর্তী এলাকায় পড়ার প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আমরা মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করেছি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে, তিনি তার সরকারের সঙ্গে এ নিয়ে আলাপ করবেন এবং এমন দুর্ঘটনা আগামীতে যাতে না ঘটে বিষয়টি তারা দেখবেন।
তবে এবিষয়গুলো সরকার গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে তিনি জানান।
প্রসঙ্গত, মিয়ানমারের দুটি যুদ্ধবিমান ও ফাইটিং হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া গোলা বান্দরবান সীমান্তবর্তী এলাকায় পড়েছে। সেখানে দুটি গোলা অবিস্ফোরিত থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এসব গোলা এসে পড়ে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর