শিরোনাম :
কোটা আন্দোলন : কক্সবাজারে আওয়ামীলীগ, জাসদ, জাতীয় পার্টির কার্যালয়, মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাংচুর; ছাত্রলীগ ৪ নেতাকে মারধর কক্সবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বিক্ষোভ মিছিল চট্টগ্রামে কোটা আন্দোলনে সংর্ঘষে নিহত ছাত্র আকরামের বাড়ী কক্সবাজারের পেকুয়ায় পেকুয়ায় দূর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ক কর্মশালা ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার পর্যটন শহরেও উত্তাপ ছড়ালো কোটা আন্দোলনকারীরা উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব ১৫ জুলাই টেকনাফে জেন্ডার ও বিরোধ সংবেদনশীল সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ মিয়ানমারের বিকট শব্দে আতংকে টেকনাফবাসী টেকনাফে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন

চীনা মুদ্রায় এলসি খেলা যাবে

নিউজ রুম / ৫ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১১:২২ অপরাহ্ন

বিডি ডেস্ক :
চীনা মুদ্রা ইউয়ানে এলসির জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে লেনদেনের অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে ব্যাংকগুলোকে এ নির্দেশ দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার
এ প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অথরাইজড ডিলারদের (এডি শাখা) বাংলাদেশ ব্যাংকে চীনা মুদ্রা ক্লিয়ারিংয়ের জন্য অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চীনা ফরেন কারেন্সিতে লেনদেন করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংকগুলোর একটি ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্ট মেইনটেন করতে হবে। এজন্য একটি চলতি অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী চীনা মুদ্রায় লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য দেশের ব্যাংকগুলো বিদেশের ব্যাংকের সঙ্গে করেসপন্ডিং করতে পারবে।
জানা গেছে, দেশের মোট আমদানির ২৫ শতাংশের বেশি হয় চীনে। টাকার সঙ্গে দেশটির মুদ্রা ইউয়ানের বিনিময় হারও স্থিতিশীল। এই মুদ্রায় আমদানি দায় নিষ্পত্তি করা গেলে বিনিময় হারজনিত লোকসান কমবে। আবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সবচেয়ে বড় ভাণ্ডার ডলারের ব্যয়ও কমবে। এসব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক আড়াই বছর আগে চীনা মুদ্রায় সরাসরি আমদানি-রপ্তানি দায় নিষ্পত্তির সুযোগ দেয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ২০১৮ সালের আগস্টের এক নির্দেশনা অনুযায়ী ইউএস ডলার, ইউরো, জাপানি ইয়েন, যুক্তরাজ্যের পাউন্ড ও কানাডিয়ান ডলারের পাশাপাশি ইউয়ানে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য নিষ্পত্তির সুযোগ দেওয়া হয়। তবে কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে ব্যাংকগুলো এ সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি। সম্প্রতি কয়েকটি ব্যাংক চীনা মুদ্রায় ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্ট খুলেছে এবং লেনদেনও হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, চীন থেকে বাংলাদেশ যে পরিমাণ আমদানি করে, সে তুলনায় রফতানি খুব সামান্য। অন্যদিকে দেশের মোট রফতানি ও রেমিট্যান্স আয়ের বড় অংশ আসে ডলারে। যে কারণে দেশের ব্যাংকগুলোর অ্যাকাউন্টে চীনা মুদ্রার জোগান থাকে খুব কম। আবার বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য যেসব ব্যাংকের ‘ক্রেডিট লাইন’ পেতে নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট খোলা হয় সেগুলোর অধিকাংশ লেনদেন হয় ডলারে। যে কারণে বৈশ্বিক লেনদেন নিষ্পত্তির সহজ মাধ্যম হিসেবে ডলারকেই বেছে নেন আমদানিকারকরা।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর