শিরোনাম :
মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাত: সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে আসলো রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫২ জন সদস্য এনসিপি কক্সবাজারের উদ্যোগে শহিদ শরীফ ওসমান হাদী স্মরণসভা ও সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ইপসা’র বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন কাকারায় অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই একর বনভূমি উদ্ধার চকরিয়ার সাংবাদিক এস.এম হান্নান শাহ আর নেই বাঁকখালী নদীতে থাকা সেন্টমার্টিনগামী ‘দ্যা আটলান্টিক জাহাজে আগুন: অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘুমন্ত শ্রমিক নিহত :তদন্ত কমিটি গঠন সামুদ্রিক শৈবাল চাষের গবেষণা বিষয়ক কর্মশালা মা মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে :কক্সবাজার থেকে ২০ হাজার নেতা কর্মী যাচ্ছে ঢাকায় কক্সবাজার–৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন পরিবেশ কর্মী ও কক্সবাজার মডেল পলিটিক্স”-এর উদ্যোক্তা মোঃ ইলিয়াছ মিয়া জেলায় ৪ টি আসন থেকে দলীয় ও স্বতন্ত্র সহ ৯জনের মনোনয়ন সংগ্রহ

৪ মাঝিকে খুনের স্বীকারোক্তি দিলেন রোহিঙ্গা যুবক

নিউজ রুম / ১১১ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন

রহমান শামলাপুরী :
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চার মাঝিকে (নেতা) কীভাবে কার ইন্ধনে খুন করা হয়েছে তার বর্ণনা দিলেন মো. হাসিম (২১) নামের রোহিঙ্গা যুবক। এক মাসে ৪ নেতা খুনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও আকারে প্রকাশ করেছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, মো. হাসিম একটি অস্ত্র হাতে কোন ক্যাম্পের কোন মাঝিকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে তার বর্ণনা দিচ্ছেন। ভিডিওতে হাশিমকে বলতে দেখা যায়, তার মতো ২৫ জন যুবককে অস্ত্র দিয়েছে ইসলামী সংগঠন ‘মাহাজ।’
হাসিম উল্লাহ উখিয়ার ১৮নং ক্যাম্প, ব্লক-এইচ/৫৩ এর বাসিন্দা আবদুর জব্বারের ছেলে।
হাসিম বলেন, ‘আমাদের ২৫ জনকে ২৫টি পিস্তল দিয়ে হত্যার মিশন বাস্তবায়ন করা হতো। মিশন শেষ হলে মোটা অংকের টাকা দেয়া হতো। আমরা ৩ মাঝিসহ ১ ভলান্টিয়ারকে হত্যা করেছি। তারা হলেন, ১৮ নম্বর ক্যাম্পের হেড মাঝি আজিম উদ্দিন, সানা উল্লাহ, জাফর ও ক্যাম্প ১৭ এর ইসমাঈল।
ভিডিও বার্তায় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ ইসলামী মাহাজ সংগঠনের চার মুখপাত্রের নামও বলেন ওই যুবক। তারা হলেন- জিম্মাদার শাহাব উদ্দিন, রহমত উল্লাহ, হেড মাঝি ভূঁইয়া, মৌলভী রফিক, কাদের ও খায়রুল। এরা সংগঠনের নেতৃত্ব দিতেন বলেও দাবি করেন তিনি।
রোহিঙ্গা যুবক আরও জানান, তাদের সামনে আরও বড় মিশন ছিল। কিন্তু ক্যাম্পে খুন খারাবি বেড়ে গেলে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন তিনি। তাই এই খারাপ জগৎ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চান। ভবিষ্যতে ভুল এ রকম ভুল করলে তাকে যে।শাস্তি দেবে তা মেনে নিবে বলে ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন তিনি।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্বরত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, ‘ভিডিওতে এই যুবক যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর