শিরোনাম :
জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ যুক্তির লড়াইয়ে মুখর কুতুবদিয়া দ্বীপ চ্যানেল ওয়ানের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন এফ এম সুমন উখিয়ায় সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু

৪ মাঝিকে খুনের স্বীকারোক্তি দিলেন রোহিঙ্গা যুবক

নিউজ রুম / ১৫৫ বার পড়ছে
আপলোড : রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫০ অপরাহ্ন

রহমান শামলাপুরী :
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চার মাঝিকে (নেতা) কীভাবে কার ইন্ধনে খুন করা হয়েছে তার বর্ণনা দিলেন মো. হাসিম (২১) নামের রোহিঙ্গা যুবক। এক মাসে ৪ নেতা খুনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও আকারে প্রকাশ করেছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, মো. হাসিম একটি অস্ত্র হাতে কোন ক্যাম্পের কোন মাঝিকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে তার বর্ণনা দিচ্ছেন। ভিডিওতে হাশিমকে বলতে দেখা যায়, তার মতো ২৫ জন যুবককে অস্ত্র দিয়েছে ইসলামী সংগঠন ‘মাহাজ।’
হাসিম উল্লাহ উখিয়ার ১৮নং ক্যাম্প, ব্লক-এইচ/৫৩ এর বাসিন্দা আবদুর জব্বারের ছেলে।
হাসিম বলেন, ‘আমাদের ২৫ জনকে ২৫টি পিস্তল দিয়ে হত্যার মিশন বাস্তবায়ন করা হতো। মিশন শেষ হলে মোটা অংকের টাকা দেয়া হতো। আমরা ৩ মাঝিসহ ১ ভলান্টিয়ারকে হত্যা করেছি। তারা হলেন, ১৮ নম্বর ক্যাম্পের হেড মাঝি আজিম উদ্দিন, সানা উল্লাহ, জাফর ও ক্যাম্প ১৭ এর ইসমাঈল।
ভিডিও বার্তায় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ ইসলামী মাহাজ সংগঠনের চার মুখপাত্রের নামও বলেন ওই যুবক। তারা হলেন- জিম্মাদার শাহাব উদ্দিন, রহমত উল্লাহ, হেড মাঝি ভূঁইয়া, মৌলভী রফিক, কাদের ও খায়রুল। এরা সংগঠনের নেতৃত্ব দিতেন বলেও দাবি করেন তিনি।
রোহিঙ্গা যুবক আরও জানান, তাদের সামনে আরও বড় মিশন ছিল। কিন্তু ক্যাম্পে খুন খারাবি বেড়ে গেলে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন তিনি। তাই এই খারাপ জগৎ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চান। ভবিষ্যতে ভুল এ রকম ভুল করলে তাকে যে।শাস্তি দেবে তা মেনে নিবে বলে ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন তিনি।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্বরত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, ‘ভিডিওতে এই যুবক যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর