শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

৪ মাঝিকে খুনের স্বীকারোক্তি দিলেন রোহিঙ্গা যুবক

নিউজ রুম / ১২৬ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন

রহমান শামলাপুরী :
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চার মাঝিকে (নেতা) কীভাবে কার ইন্ধনে খুন করা হয়েছে তার বর্ণনা দিলেন মো. হাসিম (২১) নামের রোহিঙ্গা যুবক। এক মাসে ৪ নেতা খুনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও আকারে প্রকাশ করেছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, মো. হাসিম একটি অস্ত্র হাতে কোন ক্যাম্পের কোন মাঝিকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে তার বর্ণনা দিচ্ছেন। ভিডিওতে হাশিমকে বলতে দেখা যায়, তার মতো ২৫ জন যুবককে অস্ত্র দিয়েছে ইসলামী সংগঠন ‘মাহাজ।’
হাসিম উল্লাহ উখিয়ার ১৮নং ক্যাম্প, ব্লক-এইচ/৫৩ এর বাসিন্দা আবদুর জব্বারের ছেলে।
হাসিম বলেন, ‘আমাদের ২৫ জনকে ২৫টি পিস্তল দিয়ে হত্যার মিশন বাস্তবায়ন করা হতো। মিশন শেষ হলে মোটা অংকের টাকা দেয়া হতো। আমরা ৩ মাঝিসহ ১ ভলান্টিয়ারকে হত্যা করেছি। তারা হলেন, ১৮ নম্বর ক্যাম্পের হেড মাঝি আজিম উদ্দিন, সানা উল্লাহ, জাফর ও ক্যাম্প ১৭ এর ইসমাঈল।
ভিডিও বার্তায় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ ইসলামী মাহাজ সংগঠনের চার মুখপাত্রের নামও বলেন ওই যুবক। তারা হলেন- জিম্মাদার শাহাব উদ্দিন, রহমত উল্লাহ, হেড মাঝি ভূঁইয়া, মৌলভী রফিক, কাদের ও খায়রুল। এরা সংগঠনের নেতৃত্ব দিতেন বলেও দাবি করেন তিনি।
রোহিঙ্গা যুবক আরও জানান, তাদের সামনে আরও বড় মিশন ছিল। কিন্তু ক্যাম্পে খুন খারাবি বেড়ে গেলে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন তিনি। তাই এই খারাপ জগৎ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চান। ভবিষ্যতে ভুল এ রকম ভুল করলে তাকে যে।শাস্তি দেবে তা মেনে নিবে বলে ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন তিনি।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্বরত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, ‘ভিডিওতে এই যুবক যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর