শিরোনাম :
কোটা আন্দোলন : কক্সবাজারে আওয়ামীলীগ, জাসদ, জাতীয় পার্টির কার্যালয়, মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাংচুর; ছাত্রলীগ ৪ নেতাকে মারধর কক্সবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বিক্ষোভ মিছিল চট্টগ্রামে কোটা আন্দোলনে সংর্ঘষে নিহত ছাত্র আকরামের বাড়ী কক্সবাজারের পেকুয়ায় পেকুয়ায় দূর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ক কর্মশালা ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার পর্যটন শহরেও উত্তাপ ছড়ালো কোটা আন্দোলনকারীরা উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব ১৫ জুলাই টেকনাফে জেন্ডার ও বিরোধ সংবেদনশীল সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ মিয়ানমারের বিকট শব্দে আতংকে টেকনাফবাসী টেকনাফে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন

ছুরিকাঘাতে ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যা

নিউজ রুম / ৪ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৫:২৭ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজার শহরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ইমন হাসান (১৮) নামের এক ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টায় কক্সবাজার শহরের বড় বাজারের ছালাম মার্কেটের সামনে ওই ঘটনা ঘটে।
নিহত ইমন সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের পূর্ব মোক্তার কুলের বাসিন্দা ও   বড় বাজারের খরুলিয়া পলিথিন হাউসের মালিক মো. হাছানের ছেলে। সে ৪ নং ওয়ার্ড ছাত্রীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, বছর তিনেক আগে  শহরের বইল্ল্যাপাড়ার বায়তুশ শরফ মসজিদের মাহফিল চলাকালীন সময় কথা কাটাকাটির জেরে পৌরসভার পেষকারপাড়ার আবদুল্লাহ খানকে ছুরিকাঘাত করে ইমন ও তার সঙ্গীরা। আর এই ঘটনার বদলা নিতেই বৃহস্পতিবার রাতে ইমনকে প্লাটা ছুরিকাঘাত করে আবদুল্লাহ ও তার কয়েকজন সঙ্গী।
এ বিষয়ে নিহতের বাবা মো.হাছান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আবদুল্লাহ ও তার সঙ্গীরা মিলে আমার ছেলেকে ছুরিকাঘাত করেছে।
তিনি আরো বলেন, তিন বছর আগের ঘটনায় আবদুল্লাহ পরিবার মামলা করে। বিষয়টি সামাজিকভাবে তিন লাখ টাকায় মীমাংসা হয়। যার দুই লাখ টাকা ইতিমধ্যে আবদুল্লাহর পরিবারকে দেয়া হয়েছে। বাকি ১ লাখ টাকা আদালত থেকে মামলা নামিয়ে নিলেই দেয়ার সিদ্ধান্ত দেয় স্থানীয় মুরব্বিরা। সবকিছু সালিশীকারদের সিদ্ধান্ত মতেই হচ্ছিল। মামলা মীমাংসা দিতে আদালতে আবেদনও করে মামলার বাদী।  কিন্তু এরই মাঝে বৃহস্পতিবার রাতে  আমার ছেলেকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে আহতাবস্থায় ইমনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।  সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর রাতে ইমন মারা যায়।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি ( তদন্ত) সেলিম উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি আগের হামলার বদলা নিতেই ইমনকে হত্যা করা হয়েছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর