শিরোনাম :
নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া

১৭ দিন পরে বাংলাদেশী কৃষকের পর লাশ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ

নিউজ রুম / ১৩০ বার পড়ছে
আপলোড : সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনীর পরশুরামের বাঁশ পদুয়া সীমান্তে বিএসএফের হাতে নিহত বাংলাদেশী কৃষক মেজবাহারের (৪৭) মৃতদেহ ১৭ দিন পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে পরশুরামের বিলোনীয়া স্থলবন্দর দিয়ে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা বাহিনী ( বিএসএফ)। এ সময় বিজিবি – বিএসএফ ও দুই দেশের পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরশুরাম থানার ওসি মো সাইফুল ইসলাম লাশ ফেরত পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মৃতদেহ পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বিজিবি, পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ নভেম্বর বিকেলে উপজেলার বাঁশপদুয়া গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় বাংলাদেশের অংশে ধান কাটছিলেন মেজবাহার। এসময় ভারতীয় বিএসএফ ওই সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারিদের ধাওয়া করতে গিয়ে বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করে এবং মেজবাহারকে ধরে নিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তাকে কিল-ঘুষি এবং লাথি ও অস্ত্রের আঘাত করে ভারতে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তিনটি গুলির শব্দ শোনা যায়। বিষয়টি এলাকার লোকজন ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং পরশুরাম মডেল থানা পুলিশকে জানান। ১৬ নভেম্বর রাত ৩টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের সমঝোতা বৈঠকের পর ভারতের সীমারেখার মধ্যে থাকা মেজবাহারের লাশটি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিয়ে যায়।
ফেনীর পরশুরাম পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর গুথুমা গ্রামের মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে মেজবাহার (৪৭) কৃষিকাজের পাশাপাশি গরু ব্যবসা করতেন। নিহত মেজবাহার মর্জিনা আক্তার মুন্নি (১৮), তাজনেহার আক্তার মুক্তা (১২), বিবি হাজেরা রিক্তা (১০) ও জান্নাতুল নাইমা (৬) চার কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন। এক কন্যাকে বিয়ে দিলে অন্য তিনজন শিশু। লাশের অপেক্ষায় ছিলো নিহতের অবুঝ ৩টি শিশুসহ ও স্ত্রী মরিয়ম আক্তার (৪২)।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর