শিরোনাম :
মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাত: সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে আসলো রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫২ জন সদস্য এনসিপি কক্সবাজারের উদ্যোগে শহিদ শরীফ ওসমান হাদী স্মরণসভা ও সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ইপসা’র বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন কাকারায় অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই একর বনভূমি উদ্ধার চকরিয়ার সাংবাদিক এস.এম হান্নান শাহ আর নেই বাঁকখালী নদীতে থাকা সেন্টমার্টিনগামী ‘দ্যা আটলান্টিক জাহাজে আগুন: অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘুমন্ত শ্রমিক নিহত :তদন্ত কমিটি গঠন সামুদ্রিক শৈবাল চাষের গবেষণা বিষয়ক কর্মশালা মা মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে :কক্সবাজার থেকে ২০ হাজার নেতা কর্মী যাচ্ছে ঢাকায় কক্সবাজার–৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন পরিবেশ কর্মী ও কক্সবাজার মডেল পলিটিক্স”-এর উদ্যোক্তা মোঃ ইলিয়াছ মিয়া জেলায় ৪ টি আসন থেকে দলীয় ও স্বতন্ত্র সহ ৯জনের মনোনয়ন সংগ্রহ

১৭ দিন পরে বাংলাদেশী কৃষকের পর লাশ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ

নিউজ রুম / ১১৭ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন

ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনীর পরশুরামের বাঁশ পদুয়া সীমান্তে বিএসএফের হাতে নিহত বাংলাদেশী কৃষক মেজবাহারের (৪৭) মৃতদেহ ১৭ দিন পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে পরশুরামের বিলোনীয়া স্থলবন্দর দিয়ে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা বাহিনী ( বিএসএফ)। এ সময় বিজিবি – বিএসএফ ও দুই দেশের পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরশুরাম থানার ওসি মো সাইফুল ইসলাম লাশ ফেরত পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মৃতদেহ পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বিজিবি, পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ নভেম্বর বিকেলে উপজেলার বাঁশপদুয়া গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় বাংলাদেশের অংশে ধান কাটছিলেন মেজবাহার। এসময় ভারতীয় বিএসএফ ওই সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারিদের ধাওয়া করতে গিয়ে বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করে এবং মেজবাহারকে ধরে নিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তাকে কিল-ঘুষি এবং লাথি ও অস্ত্রের আঘাত করে ভারতে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তিনটি গুলির শব্দ শোনা যায়। বিষয়টি এলাকার লোকজন ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং পরশুরাম মডেল থানা পুলিশকে জানান। ১৬ নভেম্বর রাত ৩টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের সমঝোতা বৈঠকের পর ভারতের সীমারেখার মধ্যে থাকা মেজবাহারের লাশটি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিয়ে যায়।
ফেনীর পরশুরাম পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর গুথুমা গ্রামের মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে মেজবাহার (৪৭) কৃষিকাজের পাশাপাশি গরু ব্যবসা করতেন। নিহত মেজবাহার মর্জিনা আক্তার মুন্নি (১৮), তাজনেহার আক্তার মুক্তা (১২), বিবি হাজেরা রিক্তা (১০) ও জান্নাতুল নাইমা (৬) চার কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন। এক কন্যাকে বিয়ে দিলে অন্য তিনজন শিশু। লাশের অপেক্ষায় ছিলো নিহতের অবুঝ ৩টি শিশুসহ ও স্ত্রী মরিয়ম আক্তার (৪২)।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর