শিরোনাম :
কক্সবাজারে নয়ন সাধু নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা সেই ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে মুক্ত টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার রামুতে সাড়ে ২৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি

নাফনদী থেকে ১১ কোটি টাকার আইস ও ইয়াবা উদ্ধার

নিউজ রুম / ১৪৪ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী সীমান্ত থেকে ১১ কোটি ২৪ লাখ টাকার মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ আইস ও ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি।
বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার জানান, রোববার ভোর রাতে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্থ খারাংখালী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১৪ হতে আনুমানিক ০১ কিঃ মিঃ দক্ষিণ দিকে লবণের মাঠ এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
তবে পাচারকারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।
শেখ খালিদ বলেন, রবিবার ভোর রাতে টেকনাফে নাফ নদী হয়ে খারাংখালী লবণের মাঠ এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে মাদকের বড় একটি চালান পাচারের খবরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) সদর হতে একটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহলদল ওই এলাকায় অভিযান চালায়।
এক পর্যায়ে মিয়ানমার দিক থেকে জলসীমার শূণ্যরেখা অতিক্রম করে দুই জন লোককে আসতে দেখে বিজিবির সদস্যরা থামার জন্য নির্দেশ দেন।
বিজিবির সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে লোক গুলো একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ ফেলে দিয়ে রাতের অন্ধকারের সুযোগে সাঁতার দিয়ে দ্রুত মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।
” পরে পাচারকারিদের ফেলে যাওয়া প্লাস্টিকের ব্যাগটি তল্লাশী চালিয়ে ২ কেজি ১২৮ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস ও ২০ হাজার ইয়াবা। ”
বিজিবির এ কর্মকর্তা বলেন, ” উদ্ধার মাদকের আনুমানিক মূল্য ১১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। ”
উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য বিজিবির ব্যাটালিয়ন দপ্তরে জমা রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনী কার্যক্রম শেষে তা উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে বলে জানান লে. কর্ণেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর