শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বিশেষ ভূমিকা রাখবে সুনীল অর্থনীতি

নিউজ রুম / ৩২৭ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন

নুরুল আলম :
২০৪১ সালে উন্নত এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে গেলে জিডিপি ১০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। এখন ৮ শতাংশ আছে, কিন্তু বাকি দুই শতাংশ পূরণের জন্য সমুদ্র ছাড়া অন্যকোন খাত নেই। তাই ২ শতাংশ জিডিপির হাব হতে পারে সুনীল অর্থনীতি। এটাকে টার্গেট করে সুনীল অর্থনীতির নতুন নতুন দ্বার উন্মোচন করছে বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট। বিশাল সমুদ্র থেকে কিভাবে খাদ্য, ওষুধ তৈরীর উপাদান, পর্যটন ও জ্বালানি উৎপাদন করা যায় সেটি নিয়ে গবেষণা করছে বিজ্ঞানীরা।
বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের রামু উপজেলার পেঁচারদ্বীপস্থ বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে ‘বার্ষিক গবেষণা প্রতিবেদন’ উপস্থাপন নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব তথ্য জানান।
কক্সবাজারে আন্তর্জাতিকমানের একটি সী-এক্যুরিয়াম স্থাপন প্রকল্পের কাজ সরকারের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জিয়াউল হাসান।
সেমিনারে তিনি বলেন, সমুদ্র সীমায় থাকা অমিত সম্পদকে কাজে লাগিয়ে সুনীল অর্থনীতিতে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ করতে হবে। বিশেষ করে সমুদ্র থেকে খনিজ সম্পদ ও মৎস্য সম্পদ আহরণে আধুনিক ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সমুদ্র কেন্দ্রিক ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে।
সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দারের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জিয়াউল হাসান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. কাউসার আহম্মেদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারীজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রাশেদ উন নবী।
সেমিনারে ৭ জন বিজ্ঞানী তাদের গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন করে।
সেমিনারে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার।
সেমিনারে সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে কর্মরত বিজ্ঞানীরা তাদের বার্ষিক গবেষণা রিপোর্ট উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের গবেষক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যম কর্মিরা অংশ নেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর