শিরোনাম :
কোটা আন্দোলন : কক্সবাজারে আওয়ামীলীগ, জাসদ, জাতীয় পার্টির কার্যালয়, মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাংচুর; ছাত্রলীগ ৪ নেতাকে মারধর কক্সবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বিক্ষোভ মিছিল চট্টগ্রামে কোটা আন্দোলনে সংর্ঘষে নিহত ছাত্র আকরামের বাড়ী কক্সবাজারের পেকুয়ায় পেকুয়ায় দূর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ক কর্মশালা ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার পর্যটন শহরেও উত্তাপ ছড়ালো কোটা আন্দোলনকারীরা উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব ১৫ জুলাই টেকনাফে জেন্ডার ও বিরোধ সংবেদনশীল সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ মিয়ানমারের বিকট শব্দে আতংকে টেকনাফবাসী টেকনাফে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন

জাফর হত্যাকাণ্ডে ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিউজ রুম / ৫ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০২:১৪ অপরাহ্ন

মুকুল কান্তি দাশ:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় মামলায় হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে ‘ডাকাত’ জাফর আলমকে (৬৫) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহতের স্ত্রী জ্যোৎস্না আক্তার বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এতে পাঁচ নিরপরাধ ব্যক্তিকে আসামি করার অভিযোগ ওঠেছে।

মামলার আসামীরা হলেন, বারবাকিয়া ইউনিয়নের পাহাড়িয়া খালী গ্রামের আবু জাফরের ছেলে আলমগীর, জমির উদ্দিন, মৃত নুর আহমদের ছেলে আবু জাফর, মৃত আহমদ হোসেনের ছেলে নাছির, গিয়াস উদ্দিন, আনছার উদ্দিন, টৈটং ইউনিয়নের ধনিয়াকাটা গ্রামের মৃত মজু মিয়ার ছেলে বাদশা, রবি আলম, শফি আলম, রহিমদাদের ছেলে মুছা, সিরাজুল ইসলামের ছেলে রহিমদাদ, বারবাকিয়া ইউনিয়নের ভারুয়াখালী গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে শাহাবুদ্দিন, সেলিম উদ্দিন, মগনামা ইউনিয়নের পূর্বকূল গ্রামের মৃত আব্দু মন্নানের ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য খোরশেদ আলম, শিলখালী ইউনিয়নের মৃত আবু ছৈয়দের ছেলে জোবাইর, বারবাকিয়া ইউনিয়নের আবু জাফরের ছেলে আশফাক, মগনামা ইউনিয়নের ফজল হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন, বাজার পাড়া গ্রামের আবু তালেবের ছেলে ফরহাদ খান টিপু, রাহাত আলী পাড়ার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. মামুন ও শরত ঘোনা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে জোসেফ উদ্দিন।

পেকুয়া থানা পুলিশ জানায়, গত সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের পাহাড়ি অঞ্চল ছনখোলা এলাকায় প্রতিপক্ষের লোকজন আধিপত্যের জেরে ‘ডাকাত’ জাফর আলমকে পিটিয়ে খুন করে। নিহত জাফর আলমের বিরুদ্ধে পেকুয়া থানায় অস্ত্র, ডাকাতি, হত্যা ও মারামারির অভিযোগে ছয়টি মামলা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, জাফর আলমকে ছনখোলা স্টেশনে সাধারণ মানুষের সামনে প্রতিপক্ষের লোকজন পিটিয়ে খুন করেছে। সেসময় তাঁকে বাঁচাতে কেউ এগিয়ে যায়নি। তাঁর প্রতিপক্ষের আট-নয়জন ব্যক্তি এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। কিন্তু এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিরপরাধ ব্যক্তিদের আসামি করার সবাই হতবাক হয়েছেন। নিহত জাফর আলমের দুই ছেলে মো. আলমগীর ও জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন। আলমগীরের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতিসহ পাঁচটি এবং জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতি ও বন আইনে অন্তত দশটি মামলা রয়েছে।

এদিকে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ‘ডাকাত’ জাফর হত্যা মামলায় আসামী করা মগনামার বাসিন্দা পাঁচজনই নিরপরাধ। ঘটনার সাথে তাঁদের নূন্যতম সংশ্লিষ্টতা নেই। গত ইউপি নির্বাচনে আমার কাছে পরাজিত এক প্রার্থী তাঁদের মিথ্যা মামলায় আসামী করিয়েছে। এর আগে গত ১৯ জুলাই আমাকেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি মামলায় মিথ্যাভাবে আসামী করা হয়। উচ্চ আদালত থেকে এ মামলায় আমি এখন জামিনে আছি।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরহাদ আলি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পাহাড়ে আধিপত্যের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন জাফর আলমকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে। নিহতের স্ত্রীর দায়ের করা মামলা পুলিশ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে। তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া না গেলে নিরপরাধ আসামীকে মামলা থেকে অব্যহতি দেয়া হবে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর