শিরোনাম :
গবেষণা-ভিত্তিক আচরণ পরিবর্তনে প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগের কর্মশালা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শনে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তার অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল : বিভিন্ন মহলের শোক টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সবজির বাজারে অস্থিরতা ইংরেজি অলিম্পিয়াডে যুক্তরাজ্য হতে সমুদ্রকন্যা ফিরলেন মেডেল হাতে মহেশখালীর বন্যাকবলিত ৭০০ পরিবারকে সিপিজিসিবিএলের ত্রাণ সহায়তা সাতকানিয়ায় বন্যার্ত ৮৫০ মানুষকে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাদ্রাসাভবনের ওপর পাহাড় ধসে পাঁচ শিক্ষার্থী নিহত উখিয়ায় অতিবৃষ্টিতে মাটির দেয়াল ধসে দিনমজুর নিহত

অপহরণ ও ডাকাতির মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ৬

নিউজ রুম / ২৬৫ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজারের টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে অপহরণ ও ডাকাতির মূল হোতা হাফিজুর রহমান ওরফে ছলে উদ্দীনসহ ছয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। ছালেহ বাহিনীর অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে র‌্যাবের গুলি বিনিময় হয় বলে জানায় র‍্যাব।

তাদের কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, ৫ রাউন্ড গুলি, দেশীয় তৈরি ৩টি একনালা বড় বন্দুক, ২টি একনালা মাঝারি বন্দুক, ৬টি একনালা ছোট বন্দুকসহ মোট ১১টি দেশীয় তৈরি বন্দুক, ১৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৪ রাউন্ড খালি কার্তুজ, ২টি ছুরি ও ৬টি দেশীয় তৈরি দা উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (৬ মে) দুপুর ১২টায় র‍্যাব-১৫ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব সদর দপ্তরের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, হাফিজুর রহমান ওরফে ছলে ডাকাত (৩০), নুরুল আলম ওরফে নুরু (৪০), আক্তার কামাল ওরফে সোহেল (৩৭), নুরুল আলম ওরফে লালু (২৪), হারুনুর রশিদ (২৩) ও রিয়াজ উদ্দিন ওরফে বাপ্পি (১৭)।

খন্দকার আল মঈন জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফের বাহারছড়ায় অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র গ্রুপ ‘ছলে বাহিনীর’ প্রধান হাফিজুর রহমান ওরফে ছলে উদ্দিন ওরফে ছলে ডাকাত ও তার সহযোগী সোহেলসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছলে উদ্দিন একজন আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের সদস্য এবং অপহরণ ও ডাকাতির মূল হোতা। সে ২০১২ সালে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসে। এবং ২০১৩ সালে অবৈধ উপায়ে মালয়েশিয়া যায়। সেখানে গিয়ে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে মানবপাচার করে। পরে ২০১৯ সালে আবারও বাংলাদেশে এসে বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়ায়। সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক চালকের ছদ্মবেশে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবিবি করে তার বাহিনী। এ পর্যন্ত অর্ধশত মানুষ অপহরণ করেছর ছলে বাহিনী। ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দেয়। ছলে’র অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য একাধিক মামলা রয়েছে তার নামে।

খন্দকার আল মঈন আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত ছলে ও তার সহযোগিদের কাছে বিপুল পরিমাণ দেশি ও বিদেশি অস্ত্র রয়েছে। অভিযানে তাদের কাছ থেকে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার করা হয়। এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

টেকনাফ থানা পুলিশের তথ্যমতে, গত ছয় মাসে টেকনাফের পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় সাতটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৪৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। যার মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১৩ জন।

এলাকাবাসীর দাবি, গত সাত মাসে টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় ৬০ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ অপহৃত পাঁচ রোহিঙ্গা শিশু ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে চার দিন পর শনিবার মুক্তি পেয়েছে। এ ছাড়া সর্বশেষ সোমবার দুজনসহ মোট ২০ জন মুক্তিপণ ছাড়া ফিরলেও অন্যরা মুক্তিপণে ফিরেছেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর