শিরোনাম :
কক্সবাজারে নয়ন সাধু নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা সেই ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে মুক্ত টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার রামুতে সাড়ে ২৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি

ভাই-ভাবী’র হাতে ভাই খুন

নিউজ রুম / ১২১ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজার শহরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শওকত আলম (৩৫) কে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করছে তার আপন বড় ভাই ও ভাবী।
শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১১ টায় পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের টেকনাইফ্যা পাহাড়ে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শওকত একই এলাকার মৃত আব্দুল হামিদ প্রকাশ বইল্ল্যা মিস্ত্রীর ছেলে। এই ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন নিহতের বড় ভাই আব্দুল মালেক ও তার স্ত্রী গুলজার বেগম।
এলাকাবাসীর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, নিহত ও অভিযুক্তের বসতভিটা পাশাপাশি। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সীমানা নিয়ে বিবাদ চলছিল। একারণে কিছুদিন আগে শওকতের শিশু টেলিভিশন দেখতে মালেকের বাড়ি গেলে তাকে বের  করে দেয় মালেকের স্ত্রী। বিষয়টি জানতে পেরে নিহত শওকত বড় ভাই মালেকের টেলিভিশন ভেঙ্গে ফেলে। তখন থেকেই দু পরিবারের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিল। বৃহস্পতিবার রাতে ফের টেলিভিশন নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে মালেকের স্ত্রী ঘর থেকে দা নিয়ে এসে শওকত কোপ দেয়। তখন শওকত মাটিতে লুটিয়ে পড়লে বড় ভাই মালেক ও এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এসময় গ্রামবাসী এগিয়ে আসলে মালেক পালিয়ে যায়। পরে শওকতকে প্রথমে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে চমেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী আরো জানিয়েছে, হামলার পর পুলিশ ও র‌্যাবের আলাদা দুটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। এর মধ্যে র‌্যাব অভিযুক্ত গুলজার বেগমকে জিম্মায় নেয়।
এবিষয়ে র‌্যাব ১৫ এর কক্সবাজার ক্যাম্প ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন  কোন মন্তব্য করতে রাজ হননি। তবে কোন কিছু থাকলে পরে তা গনমাধ্যমকে জানানো হবে বলে তিনি অবহিত করেছেন।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া ঘাতকদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর